Home Blog

বাংলাদেশে একদিনেই করোনায় আক্রান্ত ১৮ জন !

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

 

Abu Ali,Dhaka: করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে বাংলাদেশে নতুন করে আরও ১৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। দেশে একদিনেই আক্রান্তের এই সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে দ্বিগুণ। নতুন ১৮ জনসহ ভাইরাসটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ জনে।
৫ এপ্রিল রবিবার দুপুর ২টায় করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) ব্রিফিংয়ে অনলাইনে যুক্ত হয়ে এ কথা জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা উপস্থিত আসেন।
গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরপর দিনে দিনে সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। ভাইরাসটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ জনে। মারা গেছেন ৮ জন। এছাড়া সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৩০ জন।
করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে এই ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

করোনার প্রভাব কাটাতে ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

      

Abu Ali,Dhaka: করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দাবস্থা মোকাবিলায় ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। দেশের করোনা পরিস্থিতি ও এর অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ৫ এপ্রিল রবিবার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে এই প্যাকেজ ঘোষণা করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিন তিনি বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি করা হবে। ক্ষদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সার্ভিস সেন্টারের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হবে।বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমণে বাংলাদেশের অর্থনীতির উপর কী ধরনের বা কতটুকু নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, তা এখনও নির্দিষ্ট করে বলার সময় আসেনি। তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরেন তিনি।এরমধ্যে আমদানি ব্যয় ও রপ্তানি আয়ের পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে। অর্থবছর শেষে এর হার আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।চলমান মেগা প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা ও ব্যাংক সুদের হার কমানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বিলম্বের কারণে বেসরকারি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত মাত্রায় অর্জিত না হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

সার্ভিস সেক্টর বিশেষতঃ হোটেল-রেস্টুরেন্ট, পরিবহন এবং এভিয়েশন সেক্টরের উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশের শেয়ার বাজারের উপরও বিরূপ প্রভাব পড়েছে।
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের চাহিদা হ্রাসের কারণে এর মূল্য ৫০ শতাংশের অধিক হ্রাস পেয়েছে; যার বিরূপ প্রভাব পড়বে প্রবাসী-আয়ের উপর।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ ৩ দশমিক শুন্য ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হবে মর্মে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক প্রাক্কলন করেছে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে মনে হচ্ছে এ ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।
দীর্ঘ ছুটি বা কার্যত লক-ডাউনের ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎপাদন বন্ধ এবং পরিবহন সেবা ব্যাহত হওয়ায় স্বল্পআয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস এবং সরবরাহ চেইনে সমস্যা হতে পারে।
চলতি অর্থবছরের রাজস্ব সংগ্রহের পরিমাণ বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম হবে। এরফলে অর্থবছর শেষে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
বিগত ৩ বছর ধরে ধারাবাহিক ৭ শতাংশের অধিক হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি ছিল শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং সহায়ক রাজস্ব ও মুদ্রানীতি। সামষ্টিক চলকসমূহের নেতিবাচক প্রভাবের ফলে জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেতে পারে।

ভয় নেই, রবিবার রাতে হবে না বিপর্যয়, বন্ধ করতে হবে না পাখা-কম্পিউটার-AC-TV, জানাল কেন্দ্র

প্রতীকী ছবি।

 

Khaboreisamay,NewsDesk: করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রবিবার রাত নটায় সব আলো বন্ধ করে নয় মিনিটের জন্য বাড়ির বারান্দা বা দরজায় গিয়ে প্রদীপ,মোমবাতি,টর্চ বা মবাইলের ফ্ল্যাশ লাইট জ্বালিয়ে সেটা বিশ্বের কাছে বার্তা দিতে আহ্বান করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে আলো তো বটেই, আমজনতা সমস্ত বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করে দেওয়ার শঙ্কাও তৈরি হয়েছিল। তার ফলে একধাক্কায় চাহিদা পড়ে য়াবে। আর রাত ন’টার ন’মিনিট পর যখন একসঙ্গে সব আলো জ্বালানো হবে, তখন একধাক্কায় চাহিদা বেড়ে যাবে।তবে কেন্দ্রীয় শক্তি মন্ত্রকের আশ্বাস, আলো নেভানোর ফলে ভারসাম্য বিঘ্নিত হবে না।লকডাউনের জেরে বাণিজ্যিক কাজকর্ম বন্ধ থাকায় বিদ্যুতের চাহিদা এমনিতেই ৩০ শতাংশ কমেছে। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানের পরই শুক্রবার শক্তি মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ কর্তাদের      তরফে পর্যালোচনা বৈঠক হয়। গ্রিডের চাহিদার ওঠানামা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় সেখানে।ভারতের বৈদ্যুতিক গ্রিড (ব্যবস্থা) যথেষ্ট শক্তিশালী ও স্থিতিশীল। চাহিদার ওঠানামা সামলানোর জন্য পর্যাপ্ত সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

শনিবার শক্তি মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে বলা হয়, ‘গ্রিডের ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়া ও ভোল্টেজের ওঠানামার ফলে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ক্ষতি হতে পারে বলে যে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এই ধারণাগুলি ভুল। একইসঙ্গে মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শুধুমাত্র আলো নেভানোর কথা বলেছেন। রাস্তার আলো বা বাড়িতে কম্পিউটার, টিভি, পাখা, ফ্রিজ ও এসির মতো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধের আহ্বান জানাননি।

 

বাংলাদেশে লকডাউনের জেরে অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের পাশে ‘এসো আদর্শ সমাজ গড়ি’

 

Abu Ali, Dhaka: করোনায় গরীব অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য উপকরণ ও স্বাস্থ্য-সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে ‘এসো আদর্শ সমাজ গড়ি’ নামের একটি সমাজসেবা সংগঠন।
চার এপ্রিল শনিবার বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার সিমলা গ্রামের শতাধিক অভাবী মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ করা হয়।
প্রসঙ্গত, সিমলা গ্রামের একঝাক উদ্যোমি তরুন মিলে ‘এসো আদর্শ সমাজ গড়ি’ সংগঠন পরিচালনা করেন। তবে গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠরা সব সময়ই তাদের পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।শনিবার সিমলা সোনাভান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শতাধিক গরীব অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে কালোজিরা ও সাবান বিতরণ করা হয়।

উপকরণ বিতরণকালে সংগঠনের উপদেষ্টা আজিজুল হক বিএসসি বলেন, করোনা প্রতিরোধে সকলকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) নির্দেশিত নিয়মাবলী পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করে চলুন। এসময় গরীব ও অসহায়দের সাহায্য করার জন্য সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি।সিমলা ঈদগাঁওয়ের ইমাম মাওলানা মাহবুবুর রহমান বলেন, এ গ্রামের তরুনদের দ্বারা গ্রামকে অনেক দুর অগ্রসর করা যাবে। একদল উদ্দোমি তরুনেরা নিজ নিজ সামর্থ অনুযায়ী নিজেরাই অর্থের যোগান দিয়েছে এবং ফান্ড গঠনে সচেষ্ট হয়েছে।

রাজ্যে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা নিয়ে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিথ্যে কথা বলছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করছেন, বেশ করছেন

ফাইল চিত্র।

 

মমতা কিন্তু বলতেই পারেন, যা করছি, বেশ করছি। ঠিক করছি।

 

সাংবাদিক-সুমন ভট্টাচার্য।

যে সমাজে, যে শহরে একজন করোনায় মারা গেলে দাহ করতে অশান্তি হয, সেই সমাজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যাযের সব ঠিক। ফেসবুকীয বিপ্লবীরা এবং বামপন্থীরা তো এত সংস্কৃতির চর্চা করেছেন, এত বছর ধরে নাকি রাজ্যে এত বিজ্ঞান মঞ্চের কাজকর্ম হয়েছে, তাতে কি চেতনা আপনারা গড়ে তুলতে পেরেছেন? এই যে মানুষগুলো নিমতলা শ্মশান হোক কিংবা ধাপার মাঠেও কোনো করোনা আক্রান্তের মৃতদেহ দাহ করতে গেলে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, তাঁরা আপনাদের কাছ থেকে কোন চেতনা ধার পেযেছেন, একটু বলে দেবেন, প্লিজ।

যারা সোশ্যাল মিডিয়ায মমতা বন্দ্যোপাধ্যায কে নিযে খিল্লি ওড়ান, ওনার প্রতিটি সিদ্ধান্ত কে ব্যঙ্গ করেন, তাঁরা একবার ও ভেবে দেখেছেন উনি কি করেছেন, আর আপনারা কোথায় দাডিয়ে? বিশেষত কিউবা ভক্ত বামেরা? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায লকডাউন এর মধ্যে মিষ্টির দোকান খোলার ব্যবস্থা করে দিলে যে সব বামেরা মিম তৈরি করেন, তাঁরা কি ভুলে যান আপনাদের নেতা, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী  পিন্নারাই বিজযন নিজের রাজ্যে মদের দোকান খোলা রাখার কথা ভেবেছিলেন? হাইকোর্টের রায পিন্নারাই বিজযনের সিদ্ধান্তে বাদ সেধেছিল, না হলে তো বাম রাজত্ব কেরল অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের নতুন সংজ্ঞা তৈরি করত।

সেই জন্যই আবার বলছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করছেন, ঠিক করছেন।

যে রাজ্যে ডাক্তার বা নার্সরা করোনা র চিকিৎসা করছেন, এই সংশয়ে এবং অভিযোগে তাদের বাডিভাডা দেওযা হয় না, আবাসন থেকে তাড়িয়ে দেওযা হয, সেই শহরে দাড়িয়ে আমরা আবার প্রগতিশীলতার বড়াই করি ? যে সেলিব্রিটি নাট্য অভিনেতা সপরিবারে, সর্বদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাপান্ত করেন, তিনি এই করোনা র সমযে কোথায়? নিজের বাড়িতে কতজন স্বাস্থ্যকর্মী কে রেখেছেন? বামপন্থী চলচ্চিত্র পরিচালক রা কেন ধাপার মাঠে বিক্ষোভকারীদের বোঝালেন উন্নততর বাম আদর্শের কথা মাথায রেখে এইসব অবৈজ্ঞানিক জিনিস ভাবা উচিত নয?

একদা বাম দুর্গ বলে পরিচিত উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায যখন সাগর দত্ত হাসপাতাল কে করোনা র জন্য নির্দিষ্ট হাসপাতাল বানানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হল, তখনই বা বিখ্যাত চিকিৎসক সূর্যকান্ত মিশ্র কোথায় ছিলেন? সিপিএমের যে রাজ্য সম্পাদক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনা র বিষযে চিনের প্রেসিডেন্ট কে ফোন করলে রাজ্যবাসীকে সেটা জানাতে টুইট করেন, সেই চিকিৎসক নেতা সাগর দত্ত হাসপাতাল বা এম আর বাঙুর হাসপাতাল নিযে রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়ালেন না কেন? কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেই পরিস্থিতি সামলাতে হল, করোনা র জন্য নির্দিষ্ট  হাসপাতাল বানানোর লক্ষ্যে সমস্ত বাধাকে দৃর করতে হল ?

আসলে এই সমালোচক দের সঙ্গে  শকুনের কোনো তফাত নেই। এরা প্রথমে ভেবেছিলেন, মমতার প্রশাসন লকডাউন সামলাতে পারবে না। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের জোগান ব্যহত হবে, লোকে রাস্তায় বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখাবে। যখন সেটা হল না, তখন তাদের আশা ছিল রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা ভেঙে পডবে। ভয়ঙ্কর আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হবে, শ্মশান এবং কবরখানা মৃতদেহে ছেযে যাবে। কিন্তু  লকডাউন এর ১২ দিনেও সেইসব কিছুই  হচ্ছে না।

তাই হতাশ বামেরা ভেবে আকুল কি দিযে মমতাকে বিঁধবেন।

মমতা কিন্তু বলতেই পারেন, যা করছি, বেশ করছি। ঠিক করছি।

দিল্লির নিজামুদ্দিনের ঘটনা ‘অপরাধমূলক’, শাস্তির দাবিতে সোচ্চার অভিনেত্রী অপর্ণা সেন

 

 khaboreisamay,NewsDesk: অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল একেবারেই নগণ্য। কিন্তু দিল্লির নিজামুদ্দিনে তাবলিগি জামাতের ফলে দেশে একলাফে বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। অন্তত এমনটাই বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সেই আবহেই এই সম্মেলনকে ‘ক্রিমিন্যাল অ্যাক্ট’ বলে উল্লেখ করলেন অভিনেত্রী-পরিচালক অপর্ণা সেন।

শনিবার একটি টুইট করে তিনি লেখেন, “এইসম্মেলন শুধু মারাত্মক নয়, এটা অপরাধমূলক কাজ। সেই কারণে এদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। আমি নিজে ধর্মনিরপেক্ষ আর উদারনীতিতে বিশ্বাস করি। কিন্তু এই ঘটনাকে কখনই সমর্থন করি না। এই ঘটনা দেশের আইন বিরোধী। হিন্দু, মুসলিম, ক্রিস্টান, শিখ, নাস্তিক সকলের ক্ষেত্রেই এই কথা প্রযোজ্য।”

এদিকে মুসলিমদের এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। যাদের মধ্যে সিংহভাগের শরীরে থাবা বসিয়েছে কোভিড-১৯ এর ভাইরাস। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই এদিন সমালোচনা করে টুইট করেন অপর্ণা সেন। অন্যদিকে, ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুরোধ নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। অপর্ণা লিখেছেন, “আমার বাড়িতে ৫ তারিখ লাইট বন্ধ থাকবে না। এখন বাড়ি-ঘর, দেশ অন্ধকারে রাখার সময় নয়। তিনি যে আবেদন করেছেন যে ৯ মিনিটের জন্য আলো বন্ধ রেখে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে এই লড়াইকে সমর্থন করব, আমার প্রশ্ন, কেন করব এটা?’’

 

রবিবার রাতে বৈদ্যুতিক সঙ্কটের সম্ভাবনায় জরুরি বৈঠক মন্ত্রকের

 

 khaboreisamay,NewsDesk:    কারফিউ এর পর এবার মোমবাতি-দিয়া।রবিবার রাত নটায় সব আলো বন্ধ করে নয় মিনিটের জন্য বাড়ির বারান্দা বা দরজায় গিয়ে প্রদীপ জ্বালাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবাই ঐক্যবদ্ধ, প্রদীপ জ্বালিয়ে সেটা বিশ্বের কাছে বার্তা দিতে আহ্বান করেছেন মোদী। কিন্তু আচমকা বিদ্যুতের চাহিদা অতটা কমে গেলে গ্রিড সেটা সহ্য করতে পারবে কি না, সেই নিয়েই এখন চিন্তিত কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রক।

 প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই শুক্রবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করে বিদ্যুৎমন্ত্রক। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী আরকে সিং ও PGCIL (Power Grid Corporation of India Limited) এবং গ্রিড অপারেটর POSOCO National Load Despatch Centre এর বরিষ্ঠ কর্তারা । লকডাউনের জেরে কলকারাখানা বন্ধ। ফলে এমনিতেই চাহিদা তলানিতে। এর ওপর যদি সবাই আলো বন্ধ করে দেন তাহলে গ্রিডের ওপর মারাত্মক চাপ পড়বে, এই নিয়েই উদ্বেগ।তবে ওদিন বিদ্যুতের গ্রিড যাতে স্টেবল থাকে, সেটা নিশ্চিত করবার দায়িত্ব বর্তেছে গ্রিড অপারেটর এবং লোড ডেসপ্যাচারদের মধ্যে।

 Bridge to India Energy Private Limited-এর ম্যানিজিং ডিরেক্টর বললেন, নটার সময় সবাই যদি আলো নিভিয়ে দেয় ও তারপর নটা দশ নাগাদ আবার চালু করে তাহলে অল্প সময়ের মধ্য ১০-১৫ GW লোড কমে গিয়ে আবার ফিরে আসবে। এরকম আগে কখনো হয়েছে বলে জানেন না বিনয় রুস্তাগি। প্রয়োজনে হাইড্রো ও গ্যাস পাওয়ারের ব্যাকআপ রাখতে হবে বলে তিনি জানান।

কিন্তু বিদ্যুত মন্ত্রকের কর্তারা আত্মবিশ্বাসী যে তারা পরিস্থিতি সামলে দেবেন। এক কর্তা বলেছেন যে মোট ১৫ GW ওঠা-নামা করবে বিদ্যুত। সেটার ওপর নজর রাখতে হবে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দক্ষিণী রাজ্যে সার্কুলার জারি হয়েছে যে গ্রিডকে সামলানোর জন্য রবিরাত রাত আটটা থেকে নটার মধ্যে খেপে খেপে লোডশেডিং করার যাতে একেবারে চাপ না পড়ে। 

 

বিশেষ ব্যবস্থায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে ফিরলেন ৮১ বাংলাদেশি

বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট।

 

Abu Ali,Dhaka: লকডাউনের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে আটকে পড়া ৮১ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিশেষ ব্যবস্থায় বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তাদের আনা হয়।গতকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে তারা পেট্রাপোলের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বাংলাদেশে আসেন।

অন্যদিকে, ভারতে চলমান ২১ দিনের লকডাউনে এখনো আড়াই হাজারের বেশি বাংলাদেশি আটকা পড়েছেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনের তথ্য অনুসারে, ‘আটকে পড়াদের মধ্যে প্রায় এক হাজার ছাত্র-ছাত্রী রয়েছেন। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ভারতসহ অন্যান্য দেশে আটকে পড়াদের ফিরিয়ে আনা হবে।’

বেনাপোল পুলিশ ইমিগ্রেশনের ওসি আহসান হাবিব বলেন, ‘ভারত থেকে আসা বাংলাদেশিদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে প্রত্যেকের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ও মোবাইল ফোন নম্বর রাখা হয়েছে। তাদের প্রতি নজর রাখতে এগুলো স্ব স্ব জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে।’

সিলেবাস শেষ করতে শেষমেশ ভার্চুয়াল ক্লাসের ভাবনা রাজ্যের !

করোনার জেরে বন্ধ রয়েছে স্কুলের পঠন পাঠন।

 

 Khaboreisamay,NewsDesk:     করোনাভাইরাসের জেরে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সমস্ত স্কুল বন্ধ। পঠনপাঠন কবে শুরু হবে তা এখনো নির্দিষ্ট ভাবে বলতে পারছেন না স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রীও।এই পরিস্থিতিতে গতকালই প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত পড়ুয়াকে আগামী বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।এদিকে করোনা আতঙ্কে প্রায় একমাস স্তব্ধ রাজ্যের স্কুলগুলি। এমতবস্থায় শিক্ষাবর্ষ অনুযায়ী সিলেবাস শেষ করতে স্কুলের ক্লাস রুমেও আটকে থাকতে চায় না রাজ্য শিক্ষা দফতর।অথচ সিলেবাসও শেষ করতে হবে।তাই  শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের  জুড়বে এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ বা মেলে  অর্থাৎ  ভার্চুয়াল ক্লাসের ভাবনা রাজ্যের     

কেন এমন ভাবনা?  প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, “নবম দশম এবং একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে বোর্ড এবং কাউন্সিলের পরীক্ষায় বসতে হয়। করোনা অচলাবস্থায় পড়াশোনার পরিবেশ যাতে ধরে রাখা যায় তাই এই ভাবনা।” তিনি আরও জানান প্রাথমিক স্তর থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের হোম টাস্ক ও পড়াশোনার বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় দিয়ে দেওয়া হবে বাংলার শিক্ষা পোর্টাল বা নির্দিষ্ট অ্যাপসে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পড়াশোনা চালু রাখা হয়েছে। এই মহামারী করোনার জেরে তৈরি স্কুলের এমন অচলাবস্থা কাটাতে বিকল্প ভাবনা কী হতে পারে তা নিয়ে বোর্ড, কাউন্সিল,  শিক্ষাবিদ, শিক্ষক শিক্ষিকাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিল শিক্ষা দফতর। শেষমেষ শিক্ষা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী সিলেবাস শেষ করতে ও পড়াশোনার মান ধরে রাখতে ভার্চুয়াল ক্লাসের সিদ্ধান্ত। 

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় শুক্রবার ঘোষণা করেন এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল ২০২০ পর্যন্ত বাংলা দূরদর্শন চ্যানেল বা ডিডি বাংলা চ্যানেলে রোজ বিকেল চারটে থেকে পাঁচটা পর্যন্ত ভার্চুয়াল ক্লাসরুম চলবে। বিশিষ্ট শিক্ষকদের নিয়ে বিশেষ চ্যাপ্টার ধরে ধরে শ্রেণিকক্ষ ক্লাস নেওয়া হবে। নবমদশম এবং একাদশদ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের জন্য এই ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীরা অনুষ্ঠান চলাকালীন বাংলার শিক্ষা পোর্টাল মাধ্যমে অথবা টোল ফ্রি নম্বরে অথবা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাদের প্রশ্ন পাঠাতে পারবেন। এক ঘন্টার ক্লাস শেষে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর হোমটাস্ক দিয়ে দেবেন শিক্ষকেরা। সেই হোমটাস্ক বাড়িতে বসে ছাত্রছাত্রীরা তৈরি করবে। বিদ্যালয় খুললে হোম টাস্ক এর খাতা বিদ্যালয়ে শিক্ষকের কাছে জমা দিতে হবে

এছাড়া শিক্ষা দফতরের হেল্পলাইন ১৮০০-১০৩-৭০৩৩ নম্বরে ফোন করেও জানানো যাবে প্রশ্ন। স্কুল না খোলা পর্যন্ত এই হেল্পলাইন চালু থাকবে।

 

মমতার গলাতেও ঢিলেমির সুর! দূরত্ব বজায় রেখে ক্যারাম খেলার নির্দেশ

ফাইল চিত্র।

 

Khaboreisamay,NewsDesk:  দু’দিনেই ১৮০ ডিগ্রি বদলে গেল তাঁর অবস্থান !  দু’দিন আগেই এই নবান্নে বসে জনগণের কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ করেছিলেন  আড্ডা মারা বন্ধ করতে । কিন্তু  শুক্রবার লকডাউন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও ঢিলেমির সুর। বললেন, তিন জনে মিলে ক্যারাম খেলুন, দূরে দূরে খেলুন না। পাশাপাশি বসার দরকার নেই।

গত বুধবার নবান্নে বসে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘আমি খবর পাচ্ছি, অনেকে ক্যারাম খেলছেন, আড্ডা দিচ্ছেন। হাত জোড় করে বলছি এসব বন্ধ করুন। আড্ডা মারার জন্য জীবনে অনেক সময় পাবেন।‘ একই সঙ্গে বাজার পাগল বাঙালিকে বুঝিয়েছিলেন, ‘এই কদিন বাড়িতে সিদ্ধভাত আর ডাল খেয়ে থাকুন। বাজারে যাবেন না।’ কিন্তু ৪৮ ঘণ্টা পার করতে না করতেই বদলে গেল করোনা প্রতিরোধে মুখ্যমন্ত্রীর নিদান।

শুক্রবার সেই নবান্নে বসেই সাংবাদিকদের উত্তরে মমতা বলেন, ‘বাংলায় সব থেকে ভাল লকডাউন হয়েছে। গ্রামবাংলার লোকেরা পুকুরে স্নান করে। গ্রাম বাংলার লোকেরা রাস্তাতেও হাঁটে। গ্রাম বাংলার লোকেরা হাওয়া-নিঃশ্বাস- বাতাসও পায়। গ্রাম বাংলা গ্রাম বাংলার মতো চলবে। তারা প্রত্যেকে লকডাউন সিস্টেমটা মানছেন। যে যার মতো করে মানছেন। পুলিশের প্রচার সব কিছু চলছে।‘

 উদাহরণ দিয়ে লকডাউনের সাফল্য তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘আপনারা দেখলেন, কালকে এতবড় একটা উৎসব ছিল। আজকে নমাজ বার, কই কেউ তো কিছু করেনি। গরমেন্টের সঙ্গে সহযোগিতা করেছে। রাজ্যের সঙ্গে সহযোগিতা করেছে, করোনার সঙ্গে সহযোগিতা করেছে। এর থেকে বেশি কী আশা করেন? আমি তো খুশি মানুষের পারফর্মেন্সে।‘

এর পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘তিন জনে মিলে ক্যারাম খেলুন, দূরে দূরে খেলুন না। পাশাপাশি বসার দরকার নেই। চার জনে মিলে ওই কোনে কোনে। কিন্তু যদি ছোট ক্যামার হয় আমাকে ২ মিটার দূরত্ব তো রাখতে হবে, কোথা থেকে করব। দেখুন, নিজেদের মতো করে করুন। দূরত্ব মেইনটেন করে কথা বলা যেতে পারে। নাহলে একটা মাস্ক ব্যবহার করুন। মাস্ক না থাকলে যা আছে তাই মুখে বাঁধুন। যাতে আপনারটা অন্য কাউকে স্পর্শ না করে।‘

মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যে লকডাউনে মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানই যদি আইন ভেঙে ক্যারাম খেলার নামে জমায়েত করার নিদান দেন তাহলে সাধারণ মানুষ আর লকডাউন মানবে কেন? প্রশ্ন তাঁদের।

 

- Advertisement -

Recent Posts