Sunday, February 23, 2020
Home Blog

অমর একুশে ‘মাতৃভাষা ‘দিবস পালিত হল শ্যামনগরে

 

খবরএইসময়,21 ফেব্রুয়ারিঃ একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সহ পশ্চিমবঙ্গ তথা সমস্ত বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত। বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮) বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের  অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রফিক, জব্বার, শফিউল, সালাম, বরকত সহ অনেকেই। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়। এদিন সারা্রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলার পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনা জেলার শ্যামনগরেও ভারতচন্দ্র গ্রন্থাগারে্র সভাগৃহে শ্যামনগর সাংস্কৃতিক সমন্নয়মঞ্চ ও ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস-এর যৌথ উদ্যোগে পালিত হল অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি বা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

 

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাট্যব্যক্তিত্ব সাংবাদিক সম্রাট মুখার্জি,অধ্যাপক অনাথবন্ধু মুখোপাধ্যায়,কবি অশোক কুমার মুখোপাধ্যায়,সদানন্দ বাগল এবং ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস-এর তরফে উপস্থিত ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার প্রেসিডেন্ট চামেলি চৌধুরী চৌরাসিয়া এবং ন্যাশনাল জেনারেল সেক্রেটারি অরুপ মুখার্জি। শহিদবেদীতে মাল্যদান করার পাশাপাশি ভাষা শহিদদের  উদ্দেশ্যে নিরাবতা পালনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করে এদিনের অনুষ্ঠানের সুচনা হয়।আবৃত্তি, সঙ্গীত এবং বক্তৃতা পরিবেশনের পাশাপাশি কবিতা পাঠ ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপস্থিত  অতিথিরা। অনুষ্ঠানে অতিথিদের হাতে গোলাপ ফুল দিয়ে বরন করার সাথে শিশু শিল্পীদের হাতে পড়নের জামা তুলে দেন ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস-এর উত্তর ২৪ পরগনা জেলার প্রেসিডেন্ট চামেলি চৌধুরী চৌরাসিয়া।সব শেষে ১০জন রিকশাচালকদের হাতেও পড়নের জামা তুলে দেন চামেলি চৌধুরী চৌরাসিয়া।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বাড়ছে পেনশান

 

খবরএইসময়,ওয়েব ডেস্ক,22 ফেব্রুয়ারিঃ শেষমেশ বাড়ছে রাজ্য সরকারি সহায়তাপ্রাপ্ত স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পেনশন। জানুয়ারি মাস থেকে লাগু হবে বর্ধিত পেনশন। ইতিমধ্যে এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে শিক্ষা দফতর।

দীর্ঘদিন ধরে পেনশন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছিলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। রাজ্যে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ লাগু হওয়ার পর সেই দাবি আরও জোরদার হয়। অবশেষে সেই দাবি মানল রাজ্য। ২০২০-র পয়লা জানুয়ারি থেকে মিলবে বর্ধিত পেনশন।

শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের আগে যে শিক্ষকরা অবসর নিয়েছেন তাদের পেনশন বাড়বে প্রায় ৩০ শতাংশ। তার পর যাঁরা অবসর নিয়েছেন তাদের পেনশন বাড়বে ২৫ শতাংশ। নতুন পেনশন কাঠামো চালু হলে শিক্ষকদের সর্বোচ্চ পেনশন হবে ৭২,০০০ টাকা।

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বেতন না-বাড়লে পেনশন বাড়ানো সম্ভব নয়। তাই বেতন বাড়তেই পেনশন বাড়ানোর ঘোষণা করেছে সরকার। ওদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংগঠনের দাবি, দু মাসের বকেয়া পেনশন মার্চেই মিটিয়ে দিক সরকার।

করোনা আতঙ্কে দেশবাসীকে সিঙ্গাপুর ভ্রমণ বন্ধ রাখার বার্তা মোদী সরকারের

 

খবরএইসময়,ওয়েব ডেস্ক,22 ফেব্রুয়ারিঃ  যে হারে করোনা ভাইরাস বেড়ে চলেছে,চিন ছাড়িয়ে সেই আতঙ্ক গ্রাস করেছে এখন গোটা বিশ্বকে। ভারতেও বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। এহেন পরিস্থিতিতে করোনা প্রতিরোধ করতে ভারতবাসীর সিঙ্গাপুর দর্শনে সর্তক নিষেধাজ্ঞা জারি করল কেন্দ্র সরকার। শনিবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানান হয়, প্রয়োজন ছাড়া সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করতে নিষেধ করছে মোদী সরকার।

সরকার কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে সোমবার থেকে কাঠমান্ডু, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম এবং মালয়েশিয়া থেকে ভারতে আসা বিমানের যাত্রীদের জন্য বিমানবন্দরে বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বর্তমানে চিন, হংকং, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর এবং জাপানের যাত্রীদের দেশের ২১টি বিমানবন্দরে নভেল করোনভাইরাসটির জন্য এই স্ক্রিনিং পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

শনিবার মন্ত্রিসভা সচিবের সভাপতিত্বে পর্যালোচনা সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে যে নভেল করোনভাইরাস (সিওভিআইডি 19) পরিচালনার বিষয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার অবধি ২১৮০৫ জন যাত্রীকে এই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়াও, বিমানবন্দরে ৩,৯৭,১৫২ জন যাত্রী এবং জাহাজে ৯৬৯৫ জন যাত্রীর স্ক্রিনিং টেস্ট করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য, বেসামরিক বিমান, প্রতিরক্ষা, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয়ের সচিবরা, ডিজি এএফএমএস এবং বিদেশ মন্ত্রক, স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রনালয়, ইমিগ্রেশন ব্যুরো, আইটিবিপি এবং সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

 

কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

 

আবু আলী,ঢাকা,২২ জানুয়ারিঃ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করেছে কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা। ২১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠানের শুরুতেই শহীদ স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। একই সাথে শহীদ বেদীতে শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সংগীত, নৃত্য, রং করা, হাতের লেখা প্রতিযোগিতাসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি পালিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অত্র স্কুলের অধ্যক্ষ আয়শা শরমিন চৌধুরী এবং উপাধ্যক্ষ মোঃ আক্তারুজ্জামান, ক্যাম্পাস-১, ২ ও ৩ এর কো-অর্ডিনেটরবৃন্দ, সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ আরো অসংখ্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
প্রসঙ্গত, কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা, ইংরেজি মাধ্যম স্কুল গুলোর মধ্যে অন্যতম। শিক্ষা মাধ্যম ইংরেজি হলেও শিক্ষার্থীদের বাংলা, বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট, কৃষ্টি-কালচার নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকে।

মেদিনীপুরের স্পোর্টস কমপ্লেক্সে বেবি ফুটবল লিগের সূচনা করলেন দিলীপ ঘোষ

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,22 ফেব্রুয়ারি,পশ্চিম মেদিনীপুর:- নেহেরু যুব কেন্দ্র পশ্চিম মেদিনীপুরের উদ্যোগে আজ মেদিনীপুরের স্পোর্টস কমপ্লেক্সে শুরু হয়েছে “বেবি ফুটবল লিগ”। এই লিগের সূচনা করেছেন, মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন নেহেরু যুব কেন্দ্র, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নির্দেশক নবীন নায়েক সহ অন্যান্যরা। সারা জেলা থেকে ৩০ শের অধিক টিমের বেবি ফুটবলাররা খেলবে। খেলাটি চলবে ১২ সপ্তাহ ধরে।  শনিবার মেদিনীপুরে স্পোর্টস কমপ্লেক্সে বেবি ফুটবল অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ।

এখানে তিনি সাংবাদিকদের জানান , বিজেপি পুরভোট পিছিয়ে দিচ্ছে না । বিজেপি পুরভোট কে ভয় পায় না। তৃণমূল ভয় পাচ্ছে। এজন্যই এক বছর পিছিয়ে দিয়েছে রাজ্যের পুরসভা গুলির ভোট। যখনই ভোট হোক বিজেপি প্রস্তুত । তবে ভোটের জন্য সকলের সমান ভাবে প্রচার করার অধিকার রয়েছে। সেটাও যাতে মানা হয় তা দেখতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন কে। পুলকার দুর্ঘটনায় আহত এক ছাত্রের মৃত্যুকে দুঃখজনক বলে তিনি জানান , এ ঘটনা এর আগেও ঘটেছে ।
অভিভাবক রা এনিয়ে উদ্বিগ্ন হলেও পুলিশ মাথা ঘামায়নি । এরফলে একের পর এক পুলকার দুর্ঘটনা ঘটেছে।

প্রয়াত প্রাক্তন সাংসদ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কৃষ্ণা বসু

 

খবরএইসময়,22 ফেব্রুয়ারিঃ প্রয়াত শিক্ষাবিদ ও প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কৃষ্ণা বসু। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। অসুস্থতার দরুণ গত কয়েকদিন ধরেই কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানেই এদিন সকলে জীবনাবসান হয় তাঁর।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুপুর ১টা নাগাদ বাড়িতে কৃষ্ণা বসুর দেহ নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর তা আনা হবে নেতাজি ভবনে। সেখানেই তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন অনুরাগীরা। বিকেলে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে তাঁর।

২৬ জানুয়ারি ১৯৩০ সালে ঢাকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর স্বামী ছিলেন সুভাষচন্দ্র বসুর বড় ভাই শরত্‍ চন্দ্র বসুর পুত্র শিশির বসু। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যের উপর এম এ পাশ করেন। ৪০ বছর ধরে সিটি কলেজে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা করেছেন তিনি। পরবর্তীতে আট বছর সামলেছেন সিটি কলেজের অধ্যক্ষ পদও।ছিলেন নেতাজি রিসার্চ ব্যুরোর প্রধান।নেতাজি সংক্রান্ত বিভিন্ন গবেষণামূলক বই তাঁর বেশ জনপ্রিয়। 

যাদবপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন কৃষ্ণা বসু। পর পর তিনবার ওই কেন্দ্র থেকেই জয় পান তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রক কমিটির চেয়ারপার্সন পদেও ছিলেন তিনি। কৃষ্ণা বসুর মৃত্যুতে বাংলার রাজনীতিতে শোকের ছায়া।

 

৮ দিনের লড়াই শেষে মৃত্যু পোলবা দুর্ঘটনায় আহত পড়ুয়া ঋষভের

 

খবরএইসময়,ওয়েব ডেস্ক,22 ফেব্রুয়ারিঃ লড়াই শেষ। পোলবা পুলকার দুর্ঘটনায় আহত ঋষভ সিংয়ের মৃত্যু হল এসএসকেএম হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর পাঁচটায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে ঋষভ।

শুক্রবারই অতি সংকটজনক অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে কার্ডিওথোরাসিক ভাসকুলার সায়েন্স বিভাগে পূর্ণ ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল ঋষভকে। মস্তিষ্কে অক্সিজেন না পৌঁছনোয় মাথা কাজ করা কার্যত থামিয়ে দিয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। রক্তচাপও দ্রুত ওঠা-নামা করছিল। ডায়ালিসিস করলেও কাজ করছিল না কিডনি। শেষ পর্যন্ত মাল্টি অরগ্যান ফেলিওরেই লড়াই থমাল এদিন ভোরে। গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি শ্রীরামপুর থেকে একটি গাড়িতে ১৫ জন ক্ষুদে পড়ুয়াদের নিয়ে চূঁচুড়ার খাদিনা মোড়ের কাছে টেকনো ইন্ডিয়া স্কুলে আসছিল। উপস্থিত সকলেই ছিল প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। মাঝরাস্তায় দিল্লিরোডে পোলবা থানার কামদেবপুর এলাকায় একটি লরীর পেছনে ধাক্কা মারলে পুলকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে প্রায় বিশফুট নীচে নয়ানজুলিতে পড়ে যায়। ঘটনার পরপরই এলাকার লোকজন দৌড়ে আসেন ঘটনাস্থলে। দুর্ঘটনাগ্রস্থদের নয়ানজুলি থেকে উদ্ধার করে চূঁচুড়ার ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ভয়াবহ এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। ছুটে আসেন স্কুলের প্রিন্সিপাল ও অন্যান্য অফিশিয়াল স্টাফেরা। আসেন অভিভাবকরাও। আহত ঋষভ সিং, দিব্যাংশ ভকত, অমরজিৎ সাহাকে প্রথমে তাঁদের ইমামবাড়া হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট কে স্থানান্তরিত করা হলেও অবস্থা অবনতির কারণে ঋষভ সিং, দিব্যাংশ ভকতকে কলকাতায় পিজি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। গ্রীন করিডোরের মাধ্যমে তাঁদের কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। উল্লেখ্য, ঋষভ সিং শ্রীরামপুর পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সন্তোষ সিংয়ের ছেলে।

পোলবা পুলকার দুর্ঘটনায় জখম আরেক ছাত্র দিব্যাংশ ভকতের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। চোখ খুলেছে সে, পাশাপাশি আত্মীয়দেরও চিনতে পারছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

এদিকে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত পুলকারের মালিক শামিম আখতার বৃহস্পতিবারই থানায় আত্মসমর্পন করেছে। এতদিন তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না বলে পুলিশ জানায়। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে মূল অভিযুক্ত পুলকারের চালক পবিত্র দাস। তার বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

 

নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) সমর্থনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং

 

খবর এইসময়,ওয়েব ডেস্ক,21 ফেব্রুয়ারিঃ   দেশ স্বাধীনতার সময়ে মুসলিমদের পাকিস্তানে পাঠানো হয়নি। তার ফল এখন ভারতকে ভুগতে হচ্ছে। বিহারে এমনই মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং।

 বৃহস্পতিবার বিহারের পূর্ণিয়া জেলার সীমাচল অঞ্চলে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) সমর্থনে বক্তৃতা করছিলেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। সেখানে তিনি বলেন, ‘যখন আমাদের পূর্বপুরুষরা স্বাধীনতার জন্য ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন, তখন একটি ইসলাম রাষ্ট্র তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছিলেন জিন্না (মহম্মদ আলি জিন্না)।’

মন্ত্রীর দাবি, ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় একটি বড় ভুল করেছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামীরা। তার ফল আজও ভুগতে হচ্ছে। গিরিরাজের কথায়, ‘আমাদের পূর্বপুরুষরা একটা ভুল করেছিলেন। যদি আমাদের সব মুসলিম ভাইদের পাকিস্তানে পাঠানো হত ও হিন্দুদের এখানে (ভারত) আনা হত তাহলে সিএএ করার কোনও প্রয়োজনই ছিল না। কিন্তু সেটা হয়নি। সেজন্য আমাদের ফল ভুগতে হচ্ছে।

জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হল শালবনী ব্লকের মৌপাল দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠে

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,21ফেব্রুয়ারি,পশ্চিম মেদিনীপুর:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে এবং মৌপাল দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হল শালবনী ব্লকের মৌপাল দেশপ্রাণ বিদ্যাপীঠে। অনুষ্ঠানের শুরুতে শহিদবেদীতে মাল্যদান ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক অনন্যা মজুমদার ও উপস্থিত অন্যান্য অতিথিরা।বিদ্যালয়ের সভাগৃহে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।আবৃত্তি, সঙ্গীত, বক্তৃতা পরিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষাভাষীদের প্রতি সম্মান জানাতে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ‘সকল দেশের সেরা ‘ কবিতাটি বাংলা,উর্দু, কুড়মালি ও সাঁওতালি ভাষায় পরিবেশন করা হয় ।শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে একটি দৃশ্যায়ন তুলে ধরা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করার পাশাপাশি, কবিতা পাঠ ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড.প্রসূন কুমার পড়িয়া।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সমালোচক অচিন্ত্য নন্দী ও কবি অভিনন্দন মুখোপাধ্যায় । অতিথি সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে ভাদুতলা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক অমিতেশ চৌধুরী ও গুড়গুড়িপাল হাইস্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রলয় বিশ্বাস মনোজ্ঞ সঙ্গীত পরিবেশন করেন। জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক শ্রীমতী অনন্যা মজুমদার বলেন, মাতৃভাষার প্রতি দায়বদ্ধতা দেখাতে হবে ।শুধু মাতৃভাষা দিবস পালন নয়, প্রতিদিনই মাতৃভাষা দিবস হয়ে উঠুক।আলোচক অচিন্ত্য নন্দী বিদ্যালয়ে এই ধরনের কর্মসূচি আয়োজনকে ‘গাছের মাথায় নয় গোড়ায় জল দেওয়া ‘বলে মনে করেন । তাঁদের বিদ্যালয়ে এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিককে ধন্যবাদ জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রসূনকুমার পড়িয়া। এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মৌপালের প্রাক্তন শিক্ষক পরিমল মাহাতো,পরিচালন সমিতির সমিতির সভাপতি শশাঙ্ক কুমার ধল,চুয়াডাঙ্গা হাইস্কুলের শিক্ষক সুদীপ কুমার খাঁড়া প্রমুখ।সমস্ত অনুষ্ঠানটি সুচারু ভাবে পরিচালনা করেন সাংস্কৃতিক উপসমিতির পক্ষে আল্পনা ভুঁঞ্যা।

দুই দেশের বাংলা ভাষাভাষীদের মিলন মেলায় পরিণত হল হিলি সীমান্তের শূন্যরেখায়

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি….।’

খবরএইসময়,21 ফেব্রুয়ারিঃ ‘এপার বাংলা ওপার বাংলা বাংলা ভাষার মেল বন্ধনে হই একাকার’ এমন শ্লোগানে ভারত-বাংলাদেশ যৌথভাবে অমর একুশে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে । এতে করে দুই দেশের বাংলা ভাষাভাষীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি সীমান্তের শূন্যরেখা। প্রতি বছর এই দিবসটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা পৃথিবীতে পালিত হয় । ১৯৫২ সালে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ – এই দাবী আদায়ের সংগ্রামে শহীদদের আত্মদানের জন্য ১৯৯৯ সালে জাতি সঙ্ঘের ইউনেস্কো এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে । তাই একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এখন বিশ্বের কাছে শুধু শোক আর বেদনার দিন নয়, জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের, সব ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সার্বজনীন উৎসব ও প্রেরণার দিন । গত পাঁচবছর ধরে উজ্জীবন সোসাইটি, তিওড়, হিলি, দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ ভারত এবং “আমরা মুক্তি যোদ্ধার সন্তান কমান্ড” ও “সাপ্তাহিক আলোকিত সীমান্ত” হাকিমপুর, দিনাজপুর বাংলাদেশের এর যৌথ উদ্যোগে বিনম্র শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণে হিলি আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ( ভারত – বাংলাদেশ শূন্যরেখায় ) অমর একুশে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করছে। ভারতের উজ্জীবন সোসাইটি এবং বাংলাদেশের হিলির মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও আলোকিত সীমান্তের যৌথ উদ্যোগে আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় হিলি সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারত ও বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ যৌথভাবে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য আদান প্রদানের মাধ্যমে কর্মসুচীর সূচনা হয়। এতে ভারতের কবি সাহিত্যিক ও শিল্পীদের সমন্বয়ে ৫ সদস্যর একটি প্রতিনিধি দল যোগদান করেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিনে তাই শিকড়ের টানে ভোর থেকে দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রান্তিক শহর হিলি সীমান্ত মুখরিত হয়ে উঠল নানা অনুষ্ঠানে। এ দিন হিলি সীমান্তের চেকপোস্টের জিরো পয়েন্টের ওপারে বাংলাদেশের মাটিতে দুই বাংলার মানুষ পুরনো স্মৃতি ও আবেগের টানে মিলিত হয়ে পালন করলেন ভাষা দিবস। আজ দুই বাংলার মাঝে কাঁটাতারের বেড়া পড়লেও এই দিনটিতে মানুষের আবেগের কাছে মুছে যায় তা। মাতৃভাষা দিবস উদ্ল‌যাপনে একসঙ্গে শরিক হন দুই বাংলার মানুষ। এপার বাংলার হিলি ব্লকের তিওড়ের ‘উজ্জীবন সোসাইটি’র সম্পাদক সূরজ দাশ, ‘উত্তরের রোববার’-এর পক্ষে কবি ও সমাজসেবী বিশ্বনাথ লাহা, কবি ও গল্পকার গগন ঘোষ, সমাজসেবী বিনয় আগরয়াল, সমাজসেবী দীপক ঘোষ প্রমুখ, এছাড়াও অমূল্য রতন বিশ্বাস, নবকুমার দাস, প্রতিনিধিদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ওপার বাংলার সাপ্তাহিক ‘আলোকিত সীমান্ত’-এর সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ড’-এর কর্ণধার লিয়াকত আলী প্রমুখ । এরপর ভারতের কবি সাহিত্যিক ও শিল্পীদের সমন্বয়ে ৫ সদস্যর প্রতিনিধি দলটি বগুড়ার ‘ইন্দো বাংলা ট্যুরিজম সাংবাদিক ফোরাম’এর আয়োজনে ‘বগুড়া সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের মঞ্চে’ একুশের বইমেলায় কবিতা পাঠ করেন। এই ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে ‘ইন্দো বাংলা ট্যুরিজম সাংবাদিক ফোরাম’এর পক্ষ থেকে ভারতের ৫ সদস্য প্রতিনিধি দলকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন । আয়োজক সংস্থার পক্ষে মাজেদ রহমান, কমলেশ মোহন্ত শানু এবং জিয়া শাহিন দুই বাংলার মধ্যে সাংস্কৃতিক মেল বন্ধন গড়ে তুলতে এমন অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন ।

- Advertisement -

Recent Posts

error: Content is protected !!