Sunday, February 23, 2020
Home Blog Page 2

নিয়োগে বড়সড় বদল সিআইএসএফে ! ডেপুটেশনের গুরুত্ব বাড়ল অনেক গুণ

 

 খবরএইসময়,ওয়েব ডেস্ক,21ফেব্রুয়ারিঃ  এখন থেকে বাহিনীতে মাত্র ২০ শতাংশ পদে সরাসরি নিয়োগ হবে। ৮০শতাংশ পদে নিয়োগ হবে ডেপুটেশনের মাধ্যমে। সেই সঙ্গে অফিসারদের ডেপুটেশনের জন্য বয়সসীমা নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।এই রকমই বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হল সিআইএসএফ বাহিনীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে।
বৃহস্পতিবার বাহিনীর সদর দফতরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিআইএসএফ-এর শীর্ষ আধিকারিকরা।
২০১৯ সালে তৈরি প্রস্তাব অনুযায়ী, সিআইএসএফে চুক্তির ভিত্তিতে মোট ১.২ লাখ কর্মী নিয়োগ হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এর জেরে বাহিনীর সেনাসংখ্যা ১.৮০ লাখ থেকে বেড়ে ৩ লাখে পৌঁছবে।
আরও জানা গিয়েছে, বাহিনীতে তিনটি পদে স্থায়ী কর্মী নিয়োগ হবে এবং দু’টি পদে চুক্তির ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ হবে। চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োগের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।স্পেশাল ডিজি, এডিজি, সেক্টর আইজি এবং সিআইএসএফ-এর অন্যান্য ইউনিটের আধিকারিকদের বেসরকারি সংস্থায় সিআইএসএফ বহালের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তবে সিআইএসএফ-এ চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের।
 

কন্যা সন্তানের মা হলেন শিল্পা শেট্টি কুন্দ্রা

 

খবর এইসময়, ওয়েব ডেস্কঃ  আবারও মা হলেন শিল্পা শেট্টি কুন্দ্রা। শিল্পা শেট্টি কুন্দ্রা ও রাজ কুন্দ্রার ঘর আলো করে এল কন্যা সামিশা।

ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করে এই খবরটি জানালেন রাজ। তিনি লেখেন, ”কতটা খুশি বলে বোঝাতে পারব না। সমিশা শেট্টি কুন্দ্রা, পরিবারের নতুন সদস্য। কন্যা সন্তানের আগমনে আনন্দিত।”

সারোগেসির মাধ্যমে দ্বিতীয়বার মা হলেন শিল্পা শেট্টি কুন্দ্রা। শুক্রবার শিল্পা জানিয়েছেন ১৫ ফেব্রুয়ারি জন্ম নিয়েছে তাঁদের সন্তান।

শিল্পাও সোশাল মিডিয়ায় একই ছবি পোস্ট করে মেয়ের আগমনের বার্তা দিলেন। ছবির সঙ্গে কন্যার নামের মানে বুঝিয়ে দিলেন তিনি। তিনি লেখেন, “আমাদের প্রার্থনার অলৌকিকভাবে উত্তর এসেছে। অন্তরের কৃতজ্ঞতা থেকে জানাচ্ছি, কুন্দ্রা পরিবারে ছোট্ট পরি সামিশা শেঠি কুন্দ্রার আগমন হয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি জুনিয়র এসএসকে জন্ম হয়েছে, ‘সা’-এর সংস্কৃত অর্থ পাওয়া এবং রাশিয়ান ভাষায় ‘মিশা’ বলতে বোঝায় ‘ঈশ্বরের মতো কেউ’।”

View this post on Instagram

||Om Shri Ganeshaya Namah|| Our prayers have been answered with a miracle… With gratitude in our hearts, we are thrilled to announce the arrival of our little Angel, 🧿𝐒𝐚𝐦𝐢𝐬𝐡𝐚 𝐒𝐡𝐞𝐭𝐭𝐲 𝐊𝐮𝐧𝐝𝐫𝐚🧿 Born: February 15, 2020 Junior SSK in the house😇 ‘Sa’ in Sanskrit is “to have”, and ‘Misha’ in Russian stands for “someone like God”. You personify this name – our Goddess Laxmi, and complete our family. ⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀ ⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀⠀ ⠀⠀⠀⠀⠀⠀ ~ Please bestow our angel with all your love and blessings🙏🏻❤ ~ Ecstatic parents: Raj and Shilpa Shetty Kundra Overjoyed brother: Viaan-Raj Kundra . . . . . . . . . #SamishaShettyKundra 🧿 #gratitude #blessed #MahaShivratri #daughter #family #love

A post shared by Shilpa Shetty Kundra (@theshilpashetty) on

কমল হাসানের শ্যুটিং সেটে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত ৩, আহত ৯

 

খবরএইসময়,ওয়েব ডেস্ক,20 ফেব্রুয়ারিঃ  কমল হাসানের ছবির সেটে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত তিন টেকনিশিয়ান, আহত আরও ৯ জন। বুধবার রাতে চেন্নাইয়ের ইভিপি ফিল্ম সিটিতে কমল হাসানের আসন্ন ছবি ইন্ডিয়ান টু-র সেটে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ছবির পরিচালক শঙ্করের অল্পের জন্য প্রাণ বাঁচলেও প্রাণ গিয়েছে তাঁর এক সহকারী পরিচালক কৃষ্ণা, আর্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট চন্দ্রন এবং প্রোডাকশন অ্যাসিস্ট্যান্ট মধু’র। আহতদের চিকিৎসা চলছে চেন্নাইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে।

বুধবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু ক্রেন আচমকাই ভেঙে পড়ে। ইউনিটের সদস্যরা কিছু বুঝে উঠার আগেই ভেঙে পড়া অংশের নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু হয় তিনজনের, আহত হন কমপক্ষে নয় জন। সেই সময় শ্যুটিং স্পটেই ছিলেন কমল হাসান।দুর্ঘটনায় মর্মাহত কমল হাসান টুইট বার্তায় জানিয়েছেন তিনি তাঁর সুদীর্ঘ ফিল্মি কেরিয়ারে এমন ভয়ঙ্কর ঘটনার সম্মুখীন হননি। দুর্ঘটনায় নিহত তিন সহকর্মীর আত্মার শান্তি কামনা করে,তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন কমল হাসান। তিনি বলেন, তাঁর দুঃখের সীমা নেই এটা ঠিক, তবে তাঁর সহকর্মীদের পরিবারের অবস্থা তাঁর কাছে কল্পনাতীত।আর সেই দুঃখই তিনি ভাগ করে নিতে চান।

অপর একটি টুইটে কলম হাসান জানিয়েছেন, তিনি চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেছেন, এবং আহত টেকনিশিয়ানদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

ইন্ডিয়ান টু-প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে লাইকা প্রোডাকশন। আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সংস্থা গভীর শোকপ্রকাশ করে জানিয়েছে, ‘কোনও শব্দই যথেষ্ট নয়,আমাদের মনের অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য। আমরা দুঃখিত, গতকাল ইন্ডিয়ান টুয়ের সেটে যে ঘটনা ঘটেছে তা অপ্রত্যাশিত এবং কোনওভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়। আমরা আমাদের তিনজন প্রতিভাবান এবং পরিশ্রমী সহকর্মীকে হারালাম। সহকারী পরিচালক কৃষ্ণা, আর্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট চন্দ্রন এবং প্রোডাকশন অ্যাসিস্ট্যান্ট মধু’র মৃত্যুতে তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি’।

 

বাস ও লরির সংঘর্ষ তামিলনাড়ুতে , মৃত কমপক্ষে ২০

 ছবি (সৌজন্য টুইটার ANI)

খবর এইসময়,ওয়েব ডেস্ক,20ফেব্রুয়ারিঃ ভোররাতে তামিলনাড়ুতে বাস ও লরির সংঘর্ষে মৃত্যু হল কমপক্ষে ২০ জনের। গুরুতর আহত হয়েছেন ১৫ জন।কেরালা স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (কেএসআরটিসি) একটি বাস ৪৮ জন যাত্রী নিয়ে  বেঙ্গালুরু থেকে কেরালার এর্নাকুলামে যাচ্ছিল। রাত তিনটে নাগাদ তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার অভিনাশির কাছে দ্রুত গতিতে আসা টাইলস ও মার্বেল বোঝাই একটি লরি ডিভাইডার ভেঙে মুখোমুখি বাসটিকে ধাক্কা মারে ।দুমড়ে মুচড়ে যায় বাসের সামনের অংশ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় লরিচালকের।

দুর্ঘটনাস্থলটি ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় উদ্ধারকাজ শুরু হতে দেরি হয়। পরে বাসের কাঁচ ভেঙে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। বের করে আনা হয় মৃতদেহ। অজয় সন্তোষ নামে এক যাত্রী জানিয়েছেন, রাতে যখন দুর্ঘটনা হয় তখন তিনি ঘুমোচ্ছিলেন। সামনের দিকে যাঁরা বসেছিলেন, তাঁদের উপর দুর্ঘটনার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছেন কেএসআরটিসির ম্যানেজির ডিরেক্টর। কেরালার পরিবহমন্ত্রী এ কে সাসীনদ্রান জানিয়েছেন, আহতদের রাজ্যে আনা হবে। চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহন করবে কেরালা সরকার।

দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য পালাক্কাড়ের জেলাশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, মৃতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তামিলনাড়ু সরকার ও তিরুপুরের জেলাশাসকের সঙ্গে যৌথভাবে যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুক্তি পেতে চলেছে বাংলার প্রথম স্পেস ফিক্সান নিয়ে ছবি “দিন রাত্রির গল্প”

 

খবর এইসময়,21 ফেব্রুয়ারিঃ সত্যি যদি এমন হত? মঙ্গল গ্রহে পা রাখত বাঙালী মেয়ে? বাস্তবে না হলেও সিনেমায় কিন্তু ইতিমধ্যে মঙ্গল গ্রহে পারি দিয়েছে আমাদের ঘরের মেয়ে অরুণিমা। কিন্তু সে কি পৌঁছতে পাড়বে মঙ্গল গ্রহে? না আগাগোড়া সব মিথ্যে? কোন এক অশনি ষড়যন্ত্র? আমাদের কোলকাতা শহরের এক ছোট্ট গলির বাড়িতে নাসার লোকজন এসে যদি বৃদ্ধ বাবা মা কে জানায় তাদের একমাত্র মেয়ে পারি দিচ্ছে মঙ্গল গ্রহে সেটা কতটা বিশ্বাস যোগ্য? এমনই সব প্রশ্ন নিয়ে আসছে “দিন রাত্রির গল্প” । ইতিমধ্যে এই সিনেমার ট্রেলারে দেখা গিয়েছে তাক লাগানো মহাকাশযানের দৃশ্য। বাংলায় যা সর্বপ্রথম।

এই সিনেমার অন্যতম সম্পদ, প্রদীপ মুখার্জি, দেবেশ রায় চৌধুরী ও রুমকি চ্যাটার্জীর পাশাপাশি সুপ্রিতি চৌধুরী ও রায়তি ভট্টাচার্যের অসামান্য অভিনয়। দিনের গল্পে মঙ্গল পারির কাহিনী থাকলেও রাতের গল্প কিন্তু একদম গা ছমছমে সাসপেন্স থ্রিলার। রজতাভ দত্তের হারহিম করা অভিনয়, অভিনব গল্প আর অসামান্য ক্যামেরা ও শব্দের কাজ আপনাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখবে। ডিরেক্টর প্রসেঞ্জিত চৌধুরী এই দুটি গল্পকে জুড়ে দিয়েছেন নিপুণ মুন্সিয়ানায়। 

কোলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত এই ছবি ইতিমধ্যে প্রশংসিত হচ্ছে গুনি মহলে। অভিনেতা রজতাভ দত্ত নিজে উচ্ছসিত এই ছবি নিয়ে। তিনি বলেছেন এখনও পর্যন্ত বাংলায় এই ধরনের ছবি হয় নি।
এই সিনেমার কার্যকারী প্রযোজক আসিক ইকবাল ও সায়ন্তন দেবনাথ ইতিমধ্যে ছবিটি দেখিয়েছেন অনেক নামী দামী পরিচালক ও সমালোচকদের। ইতিমধ্যে ছবিটি দেখানো হয়েছে সত্যজিৎ রয় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সটিটুট এর ডিন অশোক অশোক বিশ্বনাথনকে। তিনি এই ছবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি বলেছেন এই ছবির মেকিং স্টাইল এর আগে তিনি বাংলা সিনেমায় দেখেন নি। ডিরেক্টর অনিকেত চট্টোপাধ্যায় এর মতে এই ছবি দেখে তিনি বিস্মিত, এমন একটা ভাবনা নিয়ে যে ছবি করা যায় তা অবিশ্বাস্য। ডিরেক্টর রাজা সেন প্রশংসা করেছেন এই সিনেমার VFX (VFX Supervisor দীপঙ্কর দাস ) ও এডিটিং এর (এডিটর-প্রদীপ দাস) । রাজা সেন অকপটে স্বীকার করেছেন এই ছবি দেখে তিনি চোখের জল ধরে রাখতে পারেন নি। ডিরেক্টর সুব্রত সেনের মতে দিন রাত্রির গল্প বাংলা সিনেমায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। কবির সুমন, ব্রাত্য বসু, কৌশিক সেন, মনোময় , সোমলতা, মানসী সিনহা, দেবদূত, পার্থ প্রতিম দেব থেকে শুরু করে বহু গুনি মানুষ আশাবাদী এই সিনেমার সাফল্য নিয়ে।
ডিরেক্টর প্রসেঞ্জিত চৌধুরী বলেছেন বাংলার প্রথম স্পেস ফিক্সান বানানোর জন্য তিনি এই সিনেমা বানান নি বরং অন্য রকম দুটো গল্প তিনি বলতে চেয়েছেন, যে দুটো গল্পের মাধ্যমে তিনি তাঁর বিশ্বাসকে খুঁজতে চেয়েছেন।
কিন্তু ডিরেক্টরের বক্তব্য যাই থাক না কেন নেট দুনিয়া ইতিমধ্যে সরগরম বাংলার প্রথম স্পেস ফিক্সান নিয়ে। কারণ বাংলা সিনেমায় নাসা আর মহাকাশযান! সত্যি ভাবা যাচ্ছে না।
রিলিসের আগেই বহু প্রশংসিত ছবিটি মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ২৮শে ফেব্রুয়ারি কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী সিনেমা হল গুলিতে।

বাংলাদেশকে ডিউটি ও কোটা ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করতে চলেছে জাপান

 

আবু আলী,ঢাকা,১৯ ফেব্রুয়ারিঃ  জাপান বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার। জাইকাসহ বেশ কিছু সংস্থা বাংলাদেশে সুনামের সাথে কাজ করছে। জাপানের সাথে বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রচুর সম্ভাবনা আছে। জাপান-বাংলাদেশ জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে, তা সমাধান করা সম্ভব। জাপান বাংলাদেশকে ডিউটি ও কোটা ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করছে। জাপানের প্রতি বাংলাদেশ কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশে জাপানের ব্যবসা-বাণিজ্যও আছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কিছুদিনের মধ্যে জাপান সফর করবেন। এ সময় বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা কমিশন এবং জাপানের জাপান ফেয়ার ট্রেড কমিশন এর মধ্যে একটি মৌ স্বাক্ষরিত হবার কথা রয়েছে। এছাড়া, উভয় দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য জাপানের জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেটরো) এবং বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করা হচ্ছে। আশা করা যায়, আগামী দিনগুলোকে বাংলাদেশের সাথে জাপানের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অনেক বৃদ্ধি পাবে।
১৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকির সাথে মতবিনিময়ের সময় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, এমপি এসব কথা বলেন।
টিপু মুনশি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছে। জাপানেরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। গত বছর বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে জাপান থেকে। জাপানের সাথে বাংলাদেশে বাণিজ্যও বাড়ছে। বাংলাদেশের তৈরী পোশাক, চামড়া ও পাটজাত পণ্যসহ অন্যান্য পণ্যের অনেক চাহিদা রয়েছে। গত ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ১১৩১.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আমদানি ছিল ১৮৬৯.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । গত বছর রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়ে ১,৩৬৫.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে, একই সময়ে আমদানি হয়েছে ১,৮৫২.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য।
জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ইজি অফ ডুয়িং বিজনেস র‌্যাংকিং এ এগিয়ে যাওয়ায় জাপান খুশি। জাপান আশা করে বাংলাদেশের জিডিপি ডবল ডিজিজে উন্নীত হবে। জাপান বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। জাপানের অনেক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করছে। বাংলাদেশ চাইলে জাপানের সাথে এফটিএ করতে পারে। তৈরী পোশাক ও ঔষধ জাপানে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে। বাংলাদেশে হালকা যন্ত্রপাতি উৎপাদনে বেশ ভালো করছে, জাপান এখাতে সহায়তা দিতে আগ্রহী। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকালে উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তাপস পালের মৃত্যুর জন্য দায়ী কেন্দ্রের বিজেপি সরকার! বিস্ফোরক মমতা

 

খবরএইসময়,19 ফেব্রুয়ারি,কলকাতাঃ   জনপ্রিয় অভিনেতা এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ সদস্য তাপস পালের মৃত্যুর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকেই দায়ী করলেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তার অভিমত বিভিন্ন কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে চাপ দেওয়ার কারণেই তাপসকে এত তাড়াতাড়ি চলে যেতে হলো।

বুধবার কলকাতার রবীন্দ্রসদনে নিজের দলের প্রয়াত সাংসদ তাপস পালকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বিজেপিকে তোপ দেগে মমতা বলেন “মানসিকভাবে ও (তাপস) নিজেকে এতটাই বিপর্যস্ত করে তুলেছিল ও ক্ষতবিক্ষত ছিল, মৃত্যুর আগে আজ পর্যন্ত সে জানতেই পারলো না যে তার অপরাধ টা কোথায়। ১ বছর ১ মাস তাপসের মত এক নম্বর অভিনেতাকে কারাগারে থাকতে হয়েছিল। তার অপরাধ টা কি ছিল? ও একটা বিনোদনমূলক চ্যানেলে ডিরেক্টর ছিল। সে কারণে তাকে বেতন দেয়া হতো এবং এই কারনেই তাকে এক বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে রেখে দেওয়া হল।”
শিল্পীদের কাছে মমতার প্রশ্ন কাজ করতে এসে যদি এরকম ভাবে অকালে প্রাণ চলে যায়… সেটা কি ঠিক হচ্ছে? কেন্দ্রের এই যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক আচরণ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের একটা জঘন্য প্রতিহিংসাপরায়ণ পরিকল্পনা তার থেকে কেউ রেহাই পাচ্ছে না।”
মমতা বলেন “আমার চোখের সামনে আমি তিনটে মৃত্যু দেখলাম। দু’বছর আগে সংসদ সুলতান আহমেদের মৃত্যু হল। এর পর তৃণমূল সাংসদ প্রসূন ব্যানার্জির স্ত্রী মারা গেল। সেও সহ্য করতে পারলো না। সব শেষে তাপস পালের অকাল মৃত্যু। চলচ্চিত্র জগতে একটা অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।”
তৃণমূল নেত্রীর অভিমত “কেউ যদি আইন লঙ্ঘন করে তবে, আইন আইনের মতন চলবে তার অর্থ এই নয় যে দিনের-পর-দিন লাঞ্ছনা যন্ত্রনা সহ্য করতে হবে। তাপস পাল ও আজকে ফুরিয়ে গেল। তাপসের মুখের দিকে তাকাতে পারছিনা। আজ আমি খুবই মর্মাহত, শোকাহত দুঃখিত। তাপসকে সব মানুষই ভালোবাসতো।মানুষ জন্মালেই মৃত্যু হবে কিন্তু তার তো একটা সময় আছে।”
কারাগারে বন্দী পরিচালক শ্রীকান্ত মোহতার বিষয়টি উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন “গত এক বছরের বেশি সময় ধরে শ্রীকান্ত কারাগারে বন্দি কেনো আমি জানিনা। যদি কেউ অন্যায় করে থাকে তবে তাকে আদালতে প্রেরণ করা উচিত। খুন করলেও তিন মাসের মধ্যে চার্জসিট দিতে হয় কিন্তু এখানে এক্ষেত্রে কি হচ্ছে আমার ঠিক জানা নেই। এতদিন ধরে কারাগারে বন্দি রাখার কি কৌশল আমি ঠিক বুঝতে পারছিনা।”
যদিও মমতার এই অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। তাপস পালের অসময়ে মৃত্যুর জন্য তৃণমূলের রাজনীতিকেই দায়ী করেছেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার অভিমত “তাপস পাল অসময়ে চলে গেলেন। ওর রাজনৈতিক কেরিয়ার দেখে সাধারণ মানুষের শিক্ষা নেওয়া উচিত, কারা এখানে রাজনীতি করছে। কারা ভালো মানুষকে খারাপ করছেন, এটা বোঝা দরকার।”
অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও দেখা যায় তাপস পালকে। আর রাজনীতিতে নাম লেখার পর থেকেই বিতর্ক জড়িয়ে পড়েছিলন তিনি। ২০০৯ থেকে ২০১৯ দুবারের মেয়াদে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ থাকাকালীন সময়ে ভুঁইফোঁড় অর্থলগ্নিকারী সংস্থা (রোজভ্যালি) আর্থিক কেলঙ্কারির ঘটনায় নাম জড়ায় তাপস পালের। ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে তাপস পালকে আটক করে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। প্রায় ১৩ মাস কারাগারে বন্দি থাকার পর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারী মুক্তি পান তাপস। এসময় কখনও কারাগার কখনও হাসপাতাল-এই ছিল তার ঠিকানা। বিষয়টি নিয়ে সেসময় একাধিক বার সরব হন মমতা।

উল্লেখ্য গতকাল মঙ্গলবার ভোররাতে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাপস পালের। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। রাত দশটা নাগাদ তার মরদেহ মুম্বাই থেকে কলকাতা বিমানবন্দর হয়ে পৌঁছায় কলকাতার গলফ ক্লাবের বাড়িতে।
বুধবার সকালে তাপস পালের বাড়িতে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

গান স্যালুটে শেষ শ্রদ্ধা ‘সাহেব’ কে

 

খবরএইসময়,19 ফেব্রুয়ারিঃ গতকাল মঙ্গলবার ভোররাতে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাপস পালের। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। রাত দশটা নাগাদ তার মরদেহ মুম্বাই থেকে কলকাতা বিমানবন্দর হয়ে পৌঁছায় কলকাতার গলফ ক্লাবের বাড়িতে।
বুধবার সকালে তাপস পালের বাড়িতে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আত্মীয় পরিজনদের পাশাপাশি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দেখা যায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পায়েল সরকার, সোহম চক্রবর্তী, ভরত কল, বিক্রম চক্রবর্তী, শংকর চক্রবর্তী, অরিন্দম শীল, মিঠু চক্রবর্তী, পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী, পশ্চিমবঙ্গের যুব কল্যাণ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের মত রাজনৈতিক নেতৃত্বকেও।
এরপর শোভাযাত্রা করে তাপস পালের নিথর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় টালীগঞ্জের টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে, সেখান থেকে রবীন্দ্রসদনে শায়িত রাখা হয় তাপস পালের মরদেহ। এর পর শববাহী গাড়ি যায় কেওড়াতলা মহাশ্মশানে। সেখানে গান স্যালুট দিয়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় তাপস পালের। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, অভিনেতা সহ বিশিষ্ট মানুষেরা।
তবে তাপস পালের আকস্মিক প্রয়াণে বুধবারও শোকস্তব্ধ টলি পাড়া।

কলকাতায় পৌঁছল “সাহেব” এর কফিনবন্দি দেহ

 

খবর এইসময়,ওয়েব ডেস্ক,18 ফেব্রুয়ারিঃ কলকাতায় পৌঁছল অভিনেতা – প্রাক্তন সাংসদ তাপস পালের দেহ। মঙ্গলবার রাতে  বিমানে মুম্বই থেকে কলকাতায় পৌঁছয় তার দেহ। তাপস পালের কফিনবন্দি দেহ বিমানবন্দর থেকে বেরোয় রাত ৯টা নাগাদ। তখন বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ছিলেন তাপস পালের কন্যা সোহিনী পাল এবং স্ত্রী নন্দিনী পাল।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহার করতে চায় নেপাল

 

আবু আলী, ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি: দ্বিপাক্ষিক  বাণিজ্য ও যোগাযোগ বাড়াতে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেপাল।
১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ কুমার গাওয়ালির সঙ্গে  বৈঠক শেষে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আমরা বলেছি যে আপনারা এটি ব্যবহার করতে পারেন। সেখানে কী ধরনের বিমান নামতে পারবে, একটি প্রযুক্তিগত দল এখন সে বিষয়টি বিশ্লেষণ করে দেখবে। তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং এ সংক্রান্ত কাজে যাবতীয় বাধা দূর করতে উভয় পক্ষই সম্মতি জানিয়েছে। এছাড়াও, নেপাল যাতে মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারে সে বিষয়েও ঐকমত্যে পৌঁছেছে দুদেশ।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ কুমার গাওয়ালি বলেছেন, শিগগিরই ভারতীয় কোম্পানি জিএমআর পানিবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু করতে যাওয়ায় আগামী ৫-৬ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পেতে পারে।
এরআগে ১৭ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মনুশির সাথে বৈঠক করেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদ্বীপ কুমার গায়ওয়ালি। বৈঠক শেষে টিপু মুনশি বলেন, নেপাল বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। নেপালের সাথে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট(এফটিএ) স্বাক্ষরের জন্য দ্রুত কাজ চলছে। আমরা উভয় দেশ এফটিএ স্বাক্ষরের জন্য একমত হয়েছি। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে। বাংলাদেশ নেপালকে ট্রানজিট সুবিধা প্রদান করেছে। উভয় দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য সড়ক, নৌ এবং আকাশ পথ চালু করার বিষয়ে কাজ চলছে। নেপাল সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ এ বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করছে। বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দর ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে  নেপালের।
টিপু মুনশি আরও বলেন, নেপালের সাথে বাণিজ্যে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ব্যবহার করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী দিনগুলোতে উভয় দেশের বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি পাবে। আগামী ৩ ও ৪ মার্চ ঢাকায় বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সচিব পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে এফটিএ স্বাক্ষর ও উভয় দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা লাভ হবে।তিনি আরও বলেন, গত অর্থ বছরে বাংলাদেশ নেপালে ৩৮.০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে, একই সময়ে আমদানি করেছে ১৮.১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। বাংলাদেশ এখন পাটজাত পণ্য, ব্যাটারি, তৈরী পোশাক, টয়লেটরিজ পণ্য, ঔষধসহ বেশ কিছু পণ্য নেপালে রপ্তানি করছে। উভয় দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এফটিএ স্বাক্ষরের মাধ্যমে এ বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নেপাল বাংলাদেশকে খুবই গুরুত্ব দেয়। উভয় দেশের মানুষ ও জীবনযাত্রার মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক ভাবে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, নেপাল তারপরই অবস্থান করছে। বাংলাদেশের সাথে নেপালের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং পর্যটক বিনিময়ের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা উভয় দেশ এ সুযোগ ও সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগাতে চাই। নেপাল ভারতের সহযোগিতায় হাইড্রো পাওয়ার উৎপাদন করছে, যা বাংলাদেশে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ নেপালকে ট্রানজিট সুবিধা প্রদান করেছে, এজন্য নেপাল বাংলাদেশের কাছে কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশ, ভুটান, ইন্ডিয়া, নেপাল(বিবিআইএন) প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে সংশ্লিষ্ট সকল দেশ এবং দেশের মানুষ উপকৃত হবেন।  বাংলাদেশের সাথে নেপালের বাণিজ্য বৃদ্ধির টেকনিকেল বিষয়গুলো অধিক গুরুত্ব দিয়ে নেপাল কাজ করছে। এফটিএ স্বাক্ষরিত হলে উভয় দেশের মধ্যে নতুন অর্থনৈতিক যুগের সূচনা হবে। আসন্ন সচিব পর্যায়ের বৈঠকে উভয় দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
- Advertisement -

Recent Posts

error: Content is protected !!