Sunday, February 23, 2020
Home Blog Page 3

পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য পশ্চিম মেদিনীপুর

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, 18ফেব্রুয়ারি:- সাতসকালেই পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো গোটা এলাকায়, ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি ব্লকের ভাদুতলা রেঞ্জের অধীনে থাকা জোড়াকুসমা এলাকার বাগমারি জঙ্গলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোর বেলায় একটি পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রাই খবর দেন মৌপাল বিট অফিসের বনদপ্তর আধিকারিকদের।

খবর পেয়েই  ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বনদপ্তর বিভাগের  আধিকারিকরা। বনদপ্তরের আধিকারিকদের প্রাথমিক অনুমান শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয়েছে ওই পূর্ণবয়স্ক হাতিটির, যদিও গোটা ঘটনার তদন্ত করছে বনদপ্তর আধিকারিকরা।উল্লেখ্য গত কয়েক মাস ধরে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিক্ষিপ্ত এলাকায় হাতির তাণ্ডবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে গ্রামবাসীরা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক জমির ফসল, প্রাণও   গেছে বেশ কয়েকজনের ।শুধুতাই নয় হাতির তাণ্ডবে ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার এই হাতির মৃত্যুকে ঘিরে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়ালো গোটা এলাকায়।

প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা তাপস পাল

 

খবর এইসময়,18 ফেব্রুয়ারি: মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারী হাসপাতালে মঙ্গলবার ভোররাতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন জনপ্রিয় অভিনেতা তাপস পাল। । মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬১। ১৯৫৮ সালের ২৯ শে সেপ্টেম্বর হুগলির চন্দননগরে জন্ম। ছোটবেলা থেকেই ছিল তার অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ। কলেজে পড়াকালীন নজরে পড়েন পরিচালক তরুণ মজুমদারের।  মাত্র ২২ বছর বয়সে মুক্তি পায় তার প্রথম ছবি দাদার কীর্তি। এরপর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। উল্লেখযোগ্য ছবি গুলির মধ্যে সাহেব, অনুরাগের ছোঁয়া, পারাবত প্রিয়া, ভালোবাসা ভালোবসা। ১৯৮১ সালে সাহেব ছবির জন্য তাপস বাবু ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পান। বাংলার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন হিন্দি ছবিতেও।

মাধুরী দীক্ষিতের বিপরীতে অভিনয় করেছেন অবোধ ছবিতে। কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের তিনি সাংসদ ছিলেন। অভিনেতার মৃত্যুতে টালিগঞ্জে শোকের ছায়া ৷ তার মৃত্যুতে রঞ্জিৎ মল্লিক জানিয়েছেন, ছোট ভাইয়ের মৃত্যু কষ্টদায়ক ৷ পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত বলেন, অত্যন্ত সুদক্ষ একজন অভিনেতা ছিলেন তাপস। খুব কষ্ট হচ্ছে ও আজ নেই জেনে। একেবারে চরিত্রের মধ্যে ঢুকে অভিনয় করতো। অভিনয় ছেড়ে ওর অন্য কোথাও যাওয়া উচিত হয়নি।অভিনয়ই ওর জীবন ছিল। 

নির্ভয়াকাণ্ডে ৪ ধর্ষকের ফাঁসি আগামী ৩ মার্চ

 

খবরএইসময়,ওয়েব ডেস্ক,17 ফেব্রুয়ারিঃ এর আগে দু’দুবার নির্ভয়ার অপরাধীদের ফাঁসি প্রক্রিয়া রদ হয়েছে। প্রথমে ২২ জানুয়ারি, পরে ১ ফেব্রুয়ারি নির্ভয়া গণধর্ষণ মামলায় দোষীদের ফাঁসির দিন ঠিক হয়েছিল। কিন্তু আইনি জটিলতায় শেষমেশ স্থগিত হয়ে গিয়েছিল ফাঁসি কার্যকর করার প্রক্রিয়া। তবে তৃতীয়বারেও জারি মৃত্যু পরোয়ানা। নির্ভয়ার দণ্ডিতদের বিরুদ্ধে আবারও মৃত্যু পরোয়ানা জারি করল দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট।পবন গুপ্তা (২৫), বিনয় শর্মা (২৬), অক্ষয় কুমার সিং (৩১) ও মুকেশ সিং (৩২) এই চারজনকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে আগামী ৩রা মার্চ সকাল ৬ টায়।

এদিন শুনানির পর রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন। পরে বিকেল চারটে নাগাদ এক লাইনের রায়ে বিচারক ধর্মেন্দ্র রানা বলেন, ‘এখন মৃত্যু পরোয়ানা কার্যকর হবে আগামী ৩রা মার্চ সকাল ৬টায়।’ তারপরই হাততালিতে ফেটে পড়ে আদালতকক্ষ।

কম পরীক্ষার্থী নিয়েই কাল থেকে শুরু মাধ্যমিক

 

খবর এইসময়,ওয়েব ডেস্ক,17 ফেব্রুয়ারি: আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা। তার আগের দিন সোমবার পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সদর দফতরে এক সাংবাদিক বৈঠকে পরীক্ষার বিস্তারিত জানালেন সংস্থার পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। তবে আশঙ্কার কথা এবার কমেছে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা।  এদিন  কল্যাণময়বাবু জানিয়েছেন  আগামিকাল পরীক্ষায় বসবেন ১০,১৫,৮৮৮ জন পরীক্ষার্থী। ২,৮৩৯টি কেন্দ্রে হবে পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩৩,০০০ কম বলে জানিয়েছেন কল্যাণময়বাবু।

আর এখানেই উঠছে প্রশ্ন। কেন পরীক্ষার্থী কমল মাধ্যমিকে? কল্যাণময়বাবুর ব্যাখ্যা, বিগত বছরগুলিতে পাশের হার বাড়ায় কমেছে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। যা মানতে নারাজ শিক্ষাবিদদের একাংশ। তাঁদের মতে, ক্রমশ সন্তানদের সরকার পোষিত স্কুলে পড়ানোর প্রবণতা কমছে অভিভাবকদের মধ্যে। সামান্য সামর্থ থাকলেই তাঁরা সন্তানকে পাঠাচ্ছেন ইংরাজি মাধ্যম বেসরকারি স্কুলে। এছাড়া শিক্ষায় রাজনীতির প্রকোপে সরকারি স্কুলে শিক্ষার মান পড়েছে। যার ফলে সরকারি সুবিধা বিমুখ হলেও নিতান্ত নিরুপায় ছাড়া কেউ ছেলে-মেয়েকে সরকারি স্কুলে আর পাঠাচ্ছেন না। যার ফল দেখা যাচ্ছে মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থী কমার মাধ্যমে। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও দ্রুতহারে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের।

তবে প্রশ্নফাঁস রুখতে এবারও কড়া বিধি চালু করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। কল্যাণময়বাবু জানিয়েছেন, এবছর বেলা ১১.৪০ মিনিটে উত্তরপত্রের খাম খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১১.৫০-এ বিলি করা হবে উত্তরপত্র। গত বছরের মতো এবছরও মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁস রুখতে শিক্ষকদের পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। পরা যাবে না স্মার্টওয়াচও। পর্ষদের দাবি, গত বছরগুলিতে প্রশ্নফাঁসে শিক্ষকদের ভূমিকা পাওয়া গিয়েছে, তাই এই সিদ্ধান্ত।

যে কোনও প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের কন্ট্রোল রুমে ০৩৩ ২৩৫৯ ২২৬৪, ০৩৩ ২৩৫৯ ২২৭৪ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন, ব্লু টুথ চালিত কোনও গ্যাজেট, স্মার্ট ওয়াচ বা ক্যালকুলেটর নিয়ে ঢুকতে পারবেন না।

বিধ্বংসী আগুনের গ্রাসে মুম্বইয়ের জিএসটি ভবন

খবরএইসময়,ওয়েব ডেস্ক,17 ফেব্রুয়ারিঃ  দাউ দাউ করে জ্বলছে মুম্বইয়ের জিএসটি ভবন। সপ্তাহের প্রথম দিনেই মুম্বাইয়ের বাইকুলার জিএসটি ভবনের আটতলা থেকে লেলিহান শিখা বেরোতে দেখতে পান স্থানীয়রা।বিধ্বংসী আগুনের গ্রাসে ৮ তলা থেকে ৯ তলায় ছড়িয়ে পড়ে।

massive fire at mumbai gst vawan

ঘটনাস্থলে কাজ করছে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন।ইতিমধ্যেই গাঢ় ধোঁয়ায় ছেয়ে গিয়েছে বাইকুলার আকাশ। তবে হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। কী থেকে আগুন লাগল তা জানা যায়নি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছেন দমকলকর্মীরা।এই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের জেরে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হল,সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কিছুই জানা যায়নি। তবে এড়ানো যাচ্ছে না প্রচুর পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ।

মানা হয়নি সুরক্ষাবিধি!নকশা ভুল জেনেও কাজ চলছিল,দাবি ইঞ্জিনিয়ারের

 

খবরএইসময়,ওয়েব ডেস্ক,17 ফেব্রুয়ারিঃ ফরাক্কায় ব্রিজ দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি এক ইঞ্জিনিয়ারের মুখে। মেনেই নিলেন, ব্রিজের নকশায় ত্রুটির কথা জানা ছিল তাঁর। সেকথা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও ছিলেন তিনি। কিন্তু ভুল নকশাতেই কাজ চালাতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়। তার পরই রবিবার রাতের দুর্ঘটনা।

রবিবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ নতুন ফরাক্কা ব্রিজের ১ ও ২ নম্বর পিলারের মধ্যে গার্ডার লাগানোর কাজ চলছিল। তখনই পিলারের ওপর থেকে খসে মাটিতে পড়ে গার্ডারটি। নীচে তখন কাজ করছিলেন অন্তত ৫০ জন শ্রমিক। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আহত হন। এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গার্ডার ভেঙে পড়ার সময় প্রবল আওয়াজ হয়। কেঁপে ওঠে বিস্তীর্ণ এলাকা। এর পর বোঝা যায় ঘটনার ভয়াবহতা।

RKEC নামে যে সংস্থা এই প্রকল্পের বরাত পেয়েছিল তাদের এক ইঞ্জিনিয়ারের দাবি, নির্মাণকাজ চলার সময় শ্রমিকদের যে সমস্ত সুরক্ষাবিধি মেনে চলা উচিত ছিল রবিবার তার প্রায় কোনওটাই মানা হয়নি। ফলে হতাহতের সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে।
ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর দাবি, এই ব্রিজ বানানোতে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছিল।

উত্তর মালদার বিজেপি বিধায়ক খগেন মুর্মু জানিয়েছেন, এব্যাপারে কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়িকে রিপোর্ট দেবেন তিনি।পাশের জেলা মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের গোচরে আনবেন তিনি।

দুই বাংলায় শান্তির বার্তা নিয়ে ভারতে এল ২২১৯জন বাংলাদেশি ঊরুষযাত্রী

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,17 ফেব্রুয়ারি,পশ্চিম মেদিনীপুর : যখন সারা দেশ জুড়ে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তখনই দুই বাংলায় শান্তির বার্তা নিয়ে ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গে ১১৯ তম ঊরুষ উৎসবে যোগ দিতে মেদিনীপুর শহরে মাওলা পাকে এল বাংলাদেশ থেকে এক বিশাল তীর্থযাত্রীবাহি বিশেষ ট্রেন। দু’দেশের সম্পর্কে প্রতিবছরের মতো এবছরও ফাল্গুন মাসের ৪ তারিখে এই বিশেষ দিনে আসে বাংলাদেশি তীর্থযাত্রীরা।এবছর বাংলাদেশ থেকে স্পেশাল ট্রেন এসেছে, মোট ২২১৯জন তীর্থযাত্রী , এদের মধ্যে পুরুষ রয়েছেন ১২২০, মহিলা ৯৯৩, ও শিশু ১০৬ জন। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাত্রি ১০টায় বাংলাদেশের রাজবাড়ি থেকে ট্রেনটি ভারতের উদ্দেশ্যে ছাড়ে। ১৭ তারিখ রবিবার সকাল ৬ টায় মেদিনীপুর স্টেশনে এক নম্বর প্লাটফর্মে পৌঁছায়, তীর্থযাত্রীবাহী এই ট্রেনটি। ১৭ এবং ১৮ তারিখ মেদিনীপুর শহরের মিয়াবাজার জোড়া মসজিদ এর মাওলা পাকের উরুষ উৎসবে যোগ দেন আগামীকাল ১৮ই ফেব্রুয়ারি রাত্রিবেলায় তারা আবার বাংলাদেশ যাওয়ার জন্য সেই বিশাল ট্রেনে চেপে রাওয়ানা হবে। পূণ্যার্থীদের কে আপন করার জন্য মেদিনীপুর মুসলিম কমিটি, জেলা প্রশাসন , জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বৃন্দর পক্ষ থেকে ফুল ও মিষ্টির প্যাকেট দিয়ে তাদেরকে স্বাগতম করে। করোনার আতংকে র স্বাস্থ্য দপ্তরের নজরদারি ছিল। পাশাপাশি জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা র নজরদারি ছিল চোখে পড়ার মতো। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে যাতে কোনো রকম প্রভাব, বা উত্তেজনা না ছড়িয়ে পড়ে তার জন্য পুলিশ প্রশাসন কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ ফরাক্কা ব্রিজের গার্ডার, মৃত ২, আশঙ্কাজনক ৫ শ্রমিক

 

খবরএইসময়,16ফেব্রুয়ারি,ওয়েব ডেস্কঃ ফরাক্কায় ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা।নির্মীয়মাণ ফরাক্কা ব্রিজের গার্ডার ভেঙে বড়সড় দুর্ঘটনা। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। গুরুতর জখম পাঁচজন শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগের অবস্থাই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন বৈষ্ণবনগর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।আহতদের প্রত্যেককেই মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হলেও অন্ধকারের কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।

রবিবার সন্ধ্যায় ফরাক্কা ব্রিজের কাজ চলছিল। কাজ করছিলেন বেশ কয়েকজন শ্রমিক। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাসের ঘরের মত হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ ওই ব্রিজের একটি গার্ডার।ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান বেশ কয়েকজন শ্রমিক। তড়িঘড়ি শুরু হয় উদ্ধারকাজ। প্রথম পর্যায়ে মোট সাতজন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যেই দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।বাকি ৫ জনের চিকিৎসা শুরু হলেও চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে প্রায় সকলেরই অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। 

খবর পাওয়ামাত্রই বৈষ্ণবনগর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও। অন্ধকার হওয়ায় উদ্ধারকাজ বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। ধ্বংসস্তূপের নিচে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তৈরির সময়েই কীভাবে ব্রিজের গার্ডার ভেঙে পড়ল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।উল্লেখ্য, ব্রিজটি তৈরি হচ্ছিল ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটির তত্ত্ববধানে। তৈরি করছিল RKEC নামে একটি দক্ষিণ ভারতীয় সংস্থা।এই ব্রিজ নির্মাণের কাজে  তাদের কোনও গাফিলতি রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে,কংগ্রেস বিধায়ক মইনুল হক জানিয়েছেন, ফরাক্কা ব্যারেজ থেকে এক কিলোমিটার দূরে নতুন ব্রিজ তৈরি হচ্ছিল। সেখানেই একটি গার্ডার ফিট করার সময় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। ব্রিজটি তৈরি করছিল একটি সংস্থা। শোনা যাচ্ছে এক ইঞ্জিনিয়ারেরও মৃত্যু হয়েছে ওই দুর্ঘটনায়।

ভরদুপুরে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড রাজাবাজারের চালপট্টিতে

 

খবর এইসময়,ওয়েব ডেস্ক,16 ফেব্রুয়ারি,কলকাতাঃ ছুটিরদিনের ভরদুপুরে ভয়াবহ আগুন লাগল শহরের মধ্যমনি রাজাবাজারে।আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন।তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে বেশ প্রতিকূলতার মুখে পড়েন তাঁরা। ততক্ষণে আগুন দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়েছে গোটা চালপট্টিতে। বাজার গ্রাস করে পাশের একটি বাড়িতেও ছড়িয়েছে আগুন। বাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছে। আজ রবিবার হওয়ায় বাজার কিছুটা ফাঁকাই ছিল। ফলে প্রাণহানির কোনও খবর নেই এখনও পর্যন্ত।

দীর্ঘক্ষণ পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পর আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা করতে সক্ষম হন দমকল কর্মীরা। প্রাথমিক অনুমান, প্রথমে একটি আঠা তৈরির কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের ভোজ্য তেলের কারখানায়। সবটাই দাহ্য বস্তু হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এতটা বিধ্বংসী হয়ে উঠেছে।

তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী,আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে। আর অল্প সময়ের মধ্যে তা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।ঠিক কী থেকে আগুন লেগেছিল সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি। শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুন লেগে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

 

 

মাওবাদী হামলায় নিহত ইএফআর জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শিলদায়

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,15 ফেব্রুয়ারি,ঝাড়গ্রাম :- শিলদায় ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলার আজ দশম বর্ষ। এই উপলক্ষে শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন এডিজি(পশ্চিমাঞ্চল) সঞ্জয় সিং। এদিন শিলদার ঘটনাস্থলে গার্ড অব অনারের পর অস্থায়ী শহীদবেদিতে মাল্যদান করেন এডিজি, পুলিস সুপার অমিত কুমার ভারত রাঠোর সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা। তারপর শিলদার স্ট্যাকো ক্যাম্প প্রাঙ্গণে শহীদবেদিতে মাল্যদান করেন পুলিস আধিকারিকরা। ওই প্রাঙ্গণে নিহত ২৪জন জওয়ানের স্মৃতির উদ্দেশে লাগানো ২৪টি মেহগনি গাছে জল দেন পুলিস আধিকারিকরা।

উল্লখ্য ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বেলপাহাড়ির শিলদা ইএফআর ক্যাম্পে নৃসংশ হামলা চালিয়েছিলে মাওবাদীদের একটি দল।ইএফআর ক্যাম্পে আগুন ধরিয়ে দিয়ে গুলি করে খুন করেছিল ২৪ জন এইফআর জওয়ানকে।সেই ঘটনায় ইএফআর জওয়ানদের পাল্টা চালানো গুলিতে পাঁচ জন মাওবাদী মারা গিয়েছিল।আহত হয়েছিল বেশ কয়েক জন। ২০১০ সালে ওই ঘটনার পর ২০১২ সাল থেকে শিলদায় শহীদের প্রতি সম্মান এবং স্মৃতীর উদ্দেশ্য শিলদা শহীদ দিবস পালিত হয়ে আসচ্ছে ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে।এবছর তার ব্যতিক্রম হয়নি। ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে শিলদা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পাশে যেখানে ইএফআর ক্যাম্পটি ছিল সেখানে শহীদদের স্মৃতীর উদ্দেশ্যে তাদের ছবির সামনে রাজ্য পুলিশ,ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এদিন এই উপলক্ষে শিলদার স্ট্রাকো ক্যাম্পে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এলাকার কয়েকশো মানুষের হাতে বস্ত্র তুলে দেওয়া হয় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে।ক্যাম্পে শহীদ স্মৃতীর উদ্দশ্যে যে বাগান রয়েছে সেখানে শহীদদের ছবি সম্বলিত গাছ গুলিতে জল দান করেন পুলিশ আধিকারিকেরা।

- Advertisement -

Recent Posts

error: Content is protected !!