Sunday, February 23, 2020
Home Blog Page 6

পরকীয়ায় ভারতের ৮ লক্ষ মানুষ জড়িত ! তালিকার শীর্ষে বেঙ্গালুরু, মুম্বই, কলকাতা !

 

খবরএইসময়,4 ফেব্রুয়ারি,ওয়েব ডেস্ক প্রতিবেদন: একটা সময় ছিল যখন পরকীয়া শুনলেই অনেকেরই বুকের ভিতর দুরু দুরু শুরু হয়ে যেত।কেউ কেউ আবার নাকও শিঁটকোতেন।কিন্তু যেইনা সুপ্রিম কোর্ট থেকে পরকীয়া আইনসিদ্ধ করে দেওয়া হল, তারপর থেকেই যেন গ্রিন সিগনাল পেয়েছেন কিছু মানুষ। সম্প্রতি একটি অনলাইন ডেটিং এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সার্ভিস অ্যাপ একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল বিবাহিত পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে। তাতে সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, ভারতের প্রায় ৮ লক্ষ মানুষ পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত।

‘হ্যাপিলি ম্যারেড’ কথাটা শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়া হ্যাশট্যাগেই সীমাবদ্ধ, একঘেয়েমি জীবন থেকে মুক্তি পেতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মেতেছে পরকীয়া খেলায়। সম্প্রতি এই পরকীয়া নিয়েই একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হল। আর তাতেই উঠে এল এক আশ্চর্যজনক তথ্য, ভারতের প্রায় ৮ লক্ষ মানুষ পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত আছেন। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু, মুম্বই এবং কলকাতা।

ফোন খুললেই আসতে থাকে বিভিন্ন ডেটিং অ্যাপের টুংটাং নোটিফিকেশন, আর স্ট্রেসফুল জীবন থেকে ক্ষণিকের রেহাই পেতে মানুষ পা দিয়ে ফেলছে ডেটিং অ্যাপের ফাঁদে। একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে  বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত রয়েছে বেশ কিছু মানুষ। এই সম্পর্ক গুলির কোনও ভবিষ্যৎ না থাকলেও মোহের বশে এই সমস্ত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন অনেকেই। পরকীয়া নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা গিয়েছে ডেটিং অ্যাপ এর মাধ্যমে পরকীয়ায় মেতে উঠেছে বেঙ্গালুরুর কিছু পুরুষ। সমীক্ষায় আরও প্রমাণিত হয়েছে যে মেয়েদের তুলনায় পুরুষদের সংখ্যা বেশি। সব মিলিয়ে ভারতের প্রায় ৮ লক্ষেরও বেশি মানুষ পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত আছেন। যে হারে প্রত্যেকের হাতে হাতে স্মার্টফোনের সংখ্যা বেড়ে গেছে তাতে নিত্য নতুন ডেটিং অ্যাপের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। শুধুমাত্র শারীরিক চাহিদা মেটানোর তাগিদায় নারী পুরুষ নির্বিশেষে এই সমস্ত অ্যাপের দিকে ঝুঁকছেন।

বেঙ্গালুরুর পাশাপাশি যথাক্রমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বই এবং কলকাতার পুরুষেরা,তারপরেই আছে দিল্লী, এরপর হায়দ্রাবাদ।পাশাপাশি মেয়েদের দিক দিয়ে তালিকায় এগিয়ে আছে বেঙ্গালুরু, তারপর যথাক্রমে মুম্বই এবং চেন্নাই। এছাড়াও তালিকায় কলকাতা শহরও রয়েছে। পরকীয়া নিয়ে কম গবেষণা হয়নি, তাতে ধরা পড়েছে নানান কারণও।  সম্পর্কে থেকেও একাকীত্বে ভোগা কিংবা বিবাহ জীবনের একঘেয়েমি, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মুক্তির স্বাদ খুঁজছে পরকীয়াতেই।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।

গঙ্গারামপুরের মধ্যযুগীয় বর্বরতায় বিস্মিত প্রধান বিচারপতির রিপোর্ট তলব

 

খবরএইসময়,ওয়েব ডেস্ক,3 ফেব্রুয়ারিঃ দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে শিক্ষিকাকে মারধর এবং দড়ি বেঁধে ছেঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার মধ্যযুগীয় বর্বরতার ঘটনা  অভিযোগের বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট। এই ঘটনায় রিতিমত বিস্মিত প্রধান বিচারপতি। 

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা লিগ্যাল সার্ভিস অথোরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করে যত দ্রুত সম্ভব রিপোর্ট দিতে নির্দেশ করেন প্রধান বিচারপতি। গঙ্গারামপুরের  নন্দনপুর-এর ওই ঘটনায় প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী রবিশঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পদক্ষেপ করুক কলকাতা হাইকোর্ট, এমনটাই আর্জি করেন রবিশঙ্কর। আইনজীবীর কাছে বিষয়টি জেনে ভরা এজলাসে বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি টি বি রাধাকৃষ্ণণ।

শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ গঙ্গারামপুরের নন্দনপুরে  ঘটে এই ঘটনা৷ শিক্ষিকাকে মারধর ও দড়ি দিয়ে বাঁধার ঘটনা স্থানীয়রা মোবাইল বন্দি করেন৷ রাস্তা থেকে টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়ার ছবি, ভিডিও  ভাইরাল হয়৷ তারপরই ঘটনাকে ঘিরে তোলপাড় হয়ে ওঠে গঙ্গারামপুরের নন্দনপুর। কাঠগড়ায় তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও তাঁর  অনুগামীরা।অভিযুক্ত উপপ্রধানকে সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল কংগ্রেস । নিগৃহীতার অভিযোগ,প্রধানমন্ত্রী গ্রামসড়ক যোজনা প্রকল্পের আওতায় নন্দনপুরে রাস্তা তৈরির প্রকল্পের কাজ চলছিল।দীর্ঘ এই ৪ কিলোমিটার রাস্তা তৈরিতে জমির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। গ্রাম সড়ক যোজনা প্রকল্পের নামে জোর করে তাদের জমি দখল করা হচ্ছে। তার প্রতিবাদ করতেই, স্থানীয় উপপ্রধানের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়।

যদিও ঘটনার পর থেকেই উধাও অভিযুক্ত তৃণমূলের উপপ্রধান। তবে রাজ্যের শাসকদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ওই ঘটনায় দলের কেউ যুক্ত নয়। তবে অভিযুক্তকে সাসপেন্ড করেছে দল। তৃণমূলের উপপ্রধান-সহ চারজনের বিরুদ্ধে গঙ্গারামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পাশাপাশি এই ঘটনার জেরে আপাতত বন্ধ রয়েছে রাস্তার কাজ।

যৌন জীবনে শিথিলতা ?এই পদ্ধতিতে পেঁয়াজের রস খেলে যৌন ক্ষমতা বাড়বে তিন গুণ !

onion for sex

 

খবরএইসময়,ওয়েব ডেস্ক,3 ফেব্রুয়ারিঃ  আধুনিক জীবনযাত্রায় চরম ব্যস্ততা, অনিয়মিত বা অনিয়ন্ত্রিত ডায়েট এবং মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে মানুষের যৌনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আর চিন্তার বিষয় হল, এই সমস্যা দিনে দিনে বাড়ছে। এ দিকে শারীরিক সম্পর্ক (যৌন সম্পর্ক) বা যৌনজীবনকেও হেলাফেলা করা উচিত নয়।

অনেক সময়ই দেখা গিয়েছে, বয়স একটু বেড়ে গেলে বহু মানুষেরই যৌনতায় অনিচ্ছা চলে আসে। অনেক সময় তা থাইরয়েড বা ডায়াবেটিসের কারণেও হতে পারে। কখনও কখনও আবার ইচ্ছা থাকলেও শারীরিক সক্ষমতার অভাবে সঙ্গমে ভাঁটা পড়ে। কিন্তু জানেন কি, এমন একটা সবজি রয়েছে যা আমাদের যৌন ক্ষমতা প্রায় তিন গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে! এই সবজি প্রায় সকলের রান্নাঘরেই থাকে। পেঁয়াজ।

একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পেঁয়াজের রস টেস্টোস্টেরন হরমনের ক্ষরণ অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই সঙ্গমের ইচ্ছা বা স্ফুর্তিও অনেকটাই বৃদ্ধি পায়। হরমোন বিশেষজ্ঞ এলিসা ভিটির মতে, ধীরে ধীরে সময় নিয়ে পেঁয়াজের রস খেতে পারলে তা আমাদের কামেচ্ছা বাড়িয়ে তোলে, সক্রিয় করে তোলে আমাদের যৌনাঙ্গকে।  পেঁয়াজ কুচি সামান্য মাখনে ভেজে মধু দিয়ে প্রতিদিন সকালে খেতে পারলে আমাদের যৌন ক্ষমতা প্রায় তিন গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

গঙ্গারামপুরে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় গ্রেফতার ২

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,3 ডিসেম্বর,গঙ্গারামপুরঃ  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর মধ্যযুগীয় বর্বরতা কাণ্ডে নির্যাতিত স্মৃতি কণা দাস এর অভিযোগের ভিত্তিতে দু’জনকে গ্রেফতার করল গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের আজ গঙ্গারামপুর মহাকুমার আদালতে তোলা হলে বিচারক আগামী 17 তারিখ পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। ধৃতদের নাম তপন শীল ও গোবিন্দ সরকার।

উল্লেখঃ গত 31শে ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ গঙ্গারামপুরের নন্দনপুরে শিক্ষিকা স্মৃতিকণা দাস এবং বাড়ির অন্য মহিলা সদস্যদের উপর তৃনমূল উপ প্রধান অমল সরকার  এবং তার দুই শাগরেদরা অমানবিক  অত্যাচার চালিয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘর থেকে টেনে বাইরে বের করে দুই পা দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে- হিঁচড়ে রাস্তায় সরিয়ে দেওয়ার ছবি, ভিডিও  ভাইরাল হয়৷ তারপরই ঘটনাকে ঘিরে তোলপাড় হয়ে ওঠে গঙ্গারামপুরের নন্দনপুর। কাঠগড়ায় তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও তাঁর  অনুগামীরা।অভিযুক্ত উপপ্রধানকে সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল কংগ্রেস । প্রধানমন্ত্রী গ্রামসড়ক যোজনা প্রকল্পের আওতায় নন্দনপুরে  রাস্তা তৈরির প্রকল্পের কাজ চলছিল। ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তা তৈরিতে জমির প্রয়োজন হয়ে পড়ে। নিগৃহীতার অভিযোগ, গ্রাম সড়ক যোজনা প্রকল্পের নামে  জোর করে তাদের জমি দখল করা হচ্ছে। তার প্রতিবাদ করতেই, স্থানীয় উপপ্রধানের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়।

মুক্তির স্বাদ পেলেন ছত্রধর,মানুষের ভিড়ে ভেসে লালগড়ে বাড়ি পৌছালেন ছত্রধর

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,2 ফেব্রুয়ারি,ঝাড়গ্রাম:- দশ বছর পরে লালগড়ে ফিরলেন একসময় জঙ্গলমহলের দাপুটে নেতা ছত্রধর মাহাত। এক দশক পর শনিবারই জেল থেকে ছাড়া পান ছত্রধর। লোধাশুলি, ঝাড়গ্রাম, বেতকুন্দ্রী, দহিজুড়িতে মিলল বিপুল সংবর্ধনা। জায়গায় জায়গায় তাঁর গাড়ি থামিয়ে দেন উত্সুক জনতা। নেমে এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন ছত্রধর।লালগড় আমকলা সেতুর থেকে গ্রামবাসী ও তৃণমূলকর্মীদের নিয়ে লালগড় বাজার পরিক্রমা করে ছত্রধরের গাড়ি। লালগড় এসআই চকে তাঁকে সংবর্ধনা জানায় গ্রামবাসীরা। এতদিন পর এত মানুষের উপস্থিতি ও সংবর্ধনায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ছত্রধর মাহাত।

তিনি বলেন, এতদিন পর আপনারা আমার জন্য রাস্তায় এসেছেন দেখে অবাক লাগছে।  আপনারা যেমন এতদিন পরও আমার পাশে রয়েছেন আমিও চেষ্টা করব আপনাদের পাশে থাকতে। মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, জীবনের শেষদিন পর্যন্ত দিদির সঙ্গে থেকে মানুষের সেবা করব।

 

২০০৮ সালে শালবনির জিন্দাল ফ্যাক্টরি উদ্বোধন করে মেদিনীপুরে ফেরার পথে ৬০ নং জাতীয় সড়কে মাওবাদীদের ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের মুখে পড়েন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। এই ঘটনার তদন্তে নেমে ছত্রধর মাহাতোর নাম সামনে উঠে আসে। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তখন তিনি জনসাধারণের কমিটির মুখ ছিলেন। তাঁর গায়ে সেঁটে যায় মাওবাদী তকমা।

কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৯-এর আগস্টে খারিজ করে দেয় এই রায়। ছত্রধর মাহাতোর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা কমিয়ে ১০ বছর করা হয়। সাজার মেয়াদ কমানো হয় মাওবাদী কার্কলাপে জড়িত সুখশান্তি বাসকে, শম্ভু সোরেন এবং সগুন মুর্মুকে। বেকসুর খালাস করে দেওয়া হয় রাজা সরখেল ও প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে।তবে এই ঘটনায় জড়িত এক অপরাধীর মৃত্যুুও হয়।

স্ত্রীর কাটামুণ্ড হাতে নিয়ে দোলাতে দোলাতে থানায় হাজির স্বামী! গাইলেন জাতীয় সঙ্গীতও

 

খবর এইসময়,ওয়েব ডেস্ক,2 ফেব্রুয়ারিঃ  কি ভয়ঙ্কর বীভৎস ঘটনা ! এও সম্ভব! নিজের স্ত্রী-র মাথা কেটে সেটা আবার হাতে নিয়ে দোলাতে দোলাতে দিব্যি থানায় এল স্বামী৷সেখানেও শেষ নয়!সেই কাটামন্ডু হাতে নিয়েই জাতীয় সঙ্গীতও গাইল সে !

 এই ভয়ঙ্কর ঘটনায় স্বভাবতই হকচকিয়ে যায় উত্তরপ্রদেশের বারাবাঙ্কির বাহাদুরপুর গ্রামে জাহাঙ্গিরবাদ থানার পুলিশও ৷ পুলিশি জেরায় অবশ্য পারিবারিক অশান্তির জেরেই এই নৃশংস ঘটনা সে ঘটিয়েছে বলে কবুল করেছে ওই অভিযুক্ত স্বামী আখিলেশ রাওয়াত।অন্যদিকে স্ত্রী-কে খুন করে তার কাটা মাথা হাতে নিয়ে এভাবে যে দিব্যি পায়ে হেঁটে কেউ পুলিশ স্টেশন পৌঁছতে পারে, তা ভেবেই শিউরে উঠছেন বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দারা ! পুলিশের কাছে ধরা দেওয়ার আগে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার পাশাপাশি ‘ভারত মাতা কী জয়…’ স্লোগানও দিতে থাকে সে ৷ ঘটনায় স্বভাবতই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায় ৷

হার দিয়ে ইস্টবেঙ্গলে ইনিংস শুরু মারিওর।অ্যারোজের বিরুদ্ধে হেরে ছয়ে নামল ইস্টবেঙ্গল

 

খবরএইসময়,1 ফেব্রুয়ারি, কল্যানিঃ   উইকএন্ডে কল্যাণী স্টেডিয়ামে চলছে ইস্টবেঙ্গল-অ্যারোজ ম্যাচ।স্টেডিয়াম জুড়ে রয়েছে ক্লাব সদস্য- সমর্থকদের ভিড়।সেখানে সদ্য শতবর্ষে পা রাখা ইস্টবেঙ্গল বাহিনীর আজকের খেলা দেখে মনে হয়েছে এ যেন পাড়ার ছোট ছোট রিন্টু- সিন্টুদের খেলা চলছে। হতশ্রী খেলা, জঘন্য পারফরম্যান্স৷খারাপ খেলায় একে অন্যের সঙ্গে যেন পাল্লা দিতে নেমেছিলেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা। কাকে ছেড়ে কার কথা বলবেন! কোলাডো, জুয়ান মেরা থেকে ক্রেসপি, ক্রোমা কেউ বাদ গেল না।

 ইন্ডিয়ান অ্যারোজের বাচ্চা বাচ্চা ফুটবলাররাও হারিয়ে দিয়ে গেল শতবর্ষে পা রাখা ইস্টবেঙ্গলকে। স্কোরলাইন ইস্টবেঙ্গল ০, অ্যারোজ ১। লাল-হলুদ ডিফেন্সকে টলিয়ে গোল বিক্রমপ্রতাপ সিংয়ের। মেজাজে হারিয়ে বাজে লাল কার্ড  দেখলেন ‘গোলকানা’ মার্কোস।না, আর আশা নেই। আজকের পর লাল-হলুদের লিগ জয়ের স্বপ্ন, ভারত সেরা হওয়ার সাধের গঙ্গাপ্রাপ্তি। শতবর্ষে ক্লাবে ট্রফি ঢোকাতে হলে পাড়ার মধুসূদন কাপ, বঙ্কিম কাপ খেলা ছাড়া আর উপায় নেই।অথচ এই আই লিগের প্রস্তুতি নিতেই না কী মরশুমের প্রথম থেকে সময় গুনছিল ইস্টবেঙ্গলের থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক। স্বপ্নবিলাসী ভাবনায় প্রশয় দিতে গিয়েই কলকাতা লিগ জলে গিয়েছে। হাতের সামনে দিয়ে গলে গিয়েছে ডুরান্ড। বাংলাদেশে খেলতেই যায়নি লাল-হলুদ। আর এখন? আই লিগেও হামাগুড়ি দিচ্ছে ক্লাব। কেন?

প্রশ্ন করবেন না সমর্থকরা?মশাল নিভু নিভু দেখেও হেলদোল দেখাননি ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। আলেজান্দ্রোর বদলি হিসেবে দরকার ছিল একটা ডাকাবুকো কোচের। কোন ফুটবল বুদ্ধিতে আলে-র একসময়ের সহকারী মারিও রিভেরাকে কোচ করে আনল ম্যানেজমেন্ট! ওরাই জানে। মরশুম শুরুর আগে মোহনবাগানের কোচ হতে চেয়ে দরবার করেও সৃঞ্জয় বোস, দেবাশিস দত্তদের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন মারিও। সেই মারিওই ফিরলেন আলেজান্দ্রোর ছেড়ে যাওয়া হটসিটে। কলকাতায় নামার দিনেই ডাগ-আউটে বসে দলের হার দেখলেন মারিও। হয়তো বা শিউরেও উঠলেন। কী শোচনীয় অবস্থা দলটার!হাতের সামনে ট্রান্সফার উইনডো শেষ হয়ে গেল। ঝড়তি পড়তি মার্কোস, ক্রেসপিকে বদলানোর উদ্যোগটুকু দেখা গেল না। কাকে ধরে আনলেন? স্বঘোষিত ভারতীয় মেসি-কে। ভাল কথা! তা, মেসিকে সই করিয়ে রিজার্ভ বেঞ্চে বসিয়ে রাখা কেন?  বিদেশিহীন অ্যারোজের বিরুদ্ধে চোট সমস্যায় ছিলেন না কাশিম আইদারা। চার বিদেশি নিয়ে খেলল ইস্টবেঙ্গল। তাহলে কী ম্যাচফিট নন ক্রোমা? যদি আনফিট হন, তাহলে এমন ফুটবলারকে মাঝ-মরশুমে সই করানোর মানে কী? বদলি নেমে কী সব গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন ক্রোমা! কোলাডো, মার্কোস, ক্রেসপিরাও তথৈবচ।মরশুম শেষে না কী বিদায় নেবে কোয়েস! ঢের হয়েছে! এখনই ধন্যবাদ জানানো হোক আইজ্যাক সাহেবকে।

অ্যাডামাস ওয়ার্ল্ড স্কুলের প্রথম বার্ষিকী ‘Annual Day”

 

খবরএইসময়,1ফেব্রুয়ারি,বেলঘরিয়াঃ  অ্যাডামাস ওয়ার্ল্ড স্কুলের প্রথম বার্ষিকী ‘Annual Day” অনুষ্ঠিত হল বেলঘরিয়া রথতলা নিকটস্থ অ্যাডামাস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অডিটোরিয়ামে। প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে এদিনের অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন রাইস গ্রুপের চেয়ারম্যান তথা অ্যাডামাস ইন্টারন্যাশনাল এবং  অ্যাডামাস ওয়ার্ল্ড স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক সমিত রায়। অনুষ্ঠানে সন্মানিয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডামাস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের এডুকেশন ডিরেক্টর মল্লিকা রায়,প্রিন্সিপাল মিত্রা সিনহা রায় সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষিকারা।

এদিন ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন ধরনের নৃত্য ও নাটক সেলফিস জায়েন্ট পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডামাস ওয়ার্ল্ড স্কুলের প্রিন্সিপাল সুপর্ণা ভট্টাচার্য বলেন, “আমি আশা করি যে এটি শিক্ষার্থীদের তাদের আত্মসম্মানবোধ গড়ে তুলতে এবং সামাজিক দক্ষতা অর্জনে একাডেমিক সাফল্য নির্ধারণে সহায়তা করবে। সর্বদা সচেষ্ট অ্যাডিমাস ওয়ার্ল্ড স্কুল শিক্ষার্থীদের তাদের আত্মমর্যাদাবোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। একাডেমিক কৃতিত্বের পাশে আত্মবিশ্বাস এবং সামাজিক দক্ষতা।

কোয়েল মল্লিক মা হতে চলেছেন !

 

খবর এইসময়,ওয়েব ডেস্ক,1ফেব্রুয়ারিঃ  মা হতে চলেছেন টলিউড অর্থাৎ বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক৷নিজেই তার টুইটার প্রোফাইলে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে সু-খবরটি শেয়ার করলেন ৷ প্রযোজক- স্বামী নিশপাল সিংয়ের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে কোয়েল মল্লিক লিখলেন ‘ঈশ্বরের কৃপা’ ! ‘এই দিনগুলো কাটছে হালকা লাথি, ঘুঁষিতে ৷ নতুন জীবনের স্পন্দন এখন আমার ভিতরে ৷ উলের উষ্ণতা মেখে নতুন জীবনের অংশ হতে চলেছি ৷ আমাদের সন্তান আসছে গরমেই ভূমিষ্ঠ হবে ৷ ’

২০১৩ সালে নিশপাল সিংকে বিয়ে করে সিনেমা জগত থেকে একটু সরে গিয়ে সংসারে মন দেন কোয়েল। কিছুদিন পর আবার ফিরে এসেই বক্স অফিসে হিট৷ তবে এবার আর রুপোলি পর্দায় নয়, কোয়েলের জীবনে নতুন মোড় ঘুরতে চলেছে। তার এখন বাস্তব জীবনে মা হওয়ার পালা।

 

ভারত থেকে ৬০ হাজার মেট্রিক টন  ডিজেল আমদানীর প্রস্তাব অনুমোদন

 

আবু আলী,30 ডিসেম্বর, ঢাকা: ভারত থেকে জিটুজি (সরকার টু সরকার) পদ্ধতিতে ২০২০ সালের জন্য ৬০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করবে সরকার। এ জন্য খরচ হবে ৩১৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
গতকাল বৃহস্পতিবার শেরে বাংলা নগরের এনইসি কমিটি কক্ষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। 
 বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাসিম বেগম বলেন, সরকার টু সরকার ভিত্তিতে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) থেকে পার্বতীপুর ডিপোতে রেল ওয়াগনের মাধ্যমে ২০২০ সালের জন্য ৬০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এ জন্য ব্যয় হবে ৩১৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
তিনি বলেন, জানুয়ারি থেকে আগামী জুন পর্যন্ত সময়ে বিপিসি ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করবে। আগামীতে জুলাই থেকে ডিসেম্বরের জন্য আরও ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রতি ব্যারেলের প্রিমিয়াম নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে ৫ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার।
- Advertisement -

Recent Posts

error: Content is protected !!